• About
  • Advertise
  • Privacy & Policy
  • Contact
Tuesday, June 2, 2026
  • Login
  • প্রচ্ছদ
  • সর্বশেষ সংবাদ
    রমজানের প্রস্তুতির মাস শাবান শুরু

    রমজানের প্রস্তুতির মাস শাবান শুরু

    আমরা শত্রুুদের হাত কেটে ফেলব : ইরানি সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক

    আমরা শত্রুুদের হাত কেটে ফেলব : ইরানি সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক

    Trending Tags

    • Trump Inauguration
    • United Stated
    • White House
    • Market Stories
    • Election Results
  • বিশেষ সংবাদ
  • ইসলামী বিশ্ব
    ‘আমর বিল মারুফ’ মুমিনের অপরিহার্য দায়িত্ব : সাইয়েদ ইব্রাহিম খলিল রিজভী

    ‘আমর বিল মারুফ’ মুমিনের অপরিহার্য দায়িত্ব : সাইয়েদ ইব্রাহিম খলিল রিজভী

    ইমাম জাফর সাদিক (আ.): ইসলামের ইতিহাসে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব

    ইমাম জাফর সাদিক (আ.): ইসলামের ইতিহাসে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব

    আল-আকসায় নামাজ বন্ধ করার অধিকার নেই ইসরায়েলের : আরব লীগ

    আল-আকসায় নামাজ বন্ধ করার অধিকার নেই ইসরায়েলের : আরব লীগ

    মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় শহীদ হলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

    মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় শহীদ হলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

    কাতারে ৯ম কাতারা আন্তর্জাতিক কুরআন অ্যাওয়ার্ড: ফাইনালে ১০০ প্রতিযোগী

    কাতারে ৯ম কাতারা আন্তর্জাতিক কুরআন অ্যাওয়ার্ড: ফাইনালে ১০০ প্রতিযোগী

    কুরআন ও হাদীসের আলোকে আহলে বাইতের পরিচয় ও মর্যাদা

    কুরআন ও হাদীসের আলোকে আহলে বাইতের পরিচয় ও মর্যাদা

    Trending Tags

    • Nintendo Switch
    • CES 2017
    • Playstation 4 Pro
    • Mark Zuckerberg
  • আন্তর্জাতিক
  • বাংলাদেশ
    ‘আমর বিল মারুফ’ মুমিনের অপরিহার্য দায়িত্ব : সাইয়েদ ইব্রাহিম খলিল রিজভী

    ‘আমর বিল মারুফ’ মুমিনের অপরিহার্য দায়িত্ব : সাইয়েদ ইব্রাহিম খলিল রিজভী

    গাজায় শহীদের সংখ্যা ৭২ হাজার ছাড়ালো

    গাজায় শহীদের সংখ্যা ৭২ হাজার ছাড়ালো

    খুলনায় হযরত ইমাম আলী রেজা (আ.)’র  পবিত্র জন্মবার্ষিকী ‍উদযাপিত

    খুলনায় হযরত ইমাম আলী রেজা (আ.)’র  পবিত্র জন্মবার্ষিকী ‍উদযাপিত

    ‘ইরান যুদ্ধে’ যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য দুর্বল হচ্ছে

    ‘ইরান যুদ্ধে’ যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য দুর্বল হচ্ছে

    ইরানের প্রতি আমাদের সবার সক্রিয় সমর্থন করা উচিত : মাহমুদুর রহমান

    ইরানের প্রতি আমাদের সবার সক্রিয় সমর্থন করা উচিত : মাহমুদুর রহমান

    ইরান যুদ্ধ : উম্মাহ কি কেবল দর্শক হয়েই থাকবে?

    ইরান যুদ্ধ : উম্মাহ কি কেবল দর্শক হয়েই থাকবে?

  • খবর
  • শিল্প ও সাহিত্য

    Trending Tags

    • Golden Globes
    • Game of Thrones
    • MotoGP 2017
    • eSports
    • Fashion Week
  • বইপত্র
  • ইতিহাস- ঐতিহ্য
  • কুরআন
    অর্থ বুঝে কুরআন পাঠের গুরুত্ব

    অর্থ বুঝে কুরআন পাঠের গুরুত্ব

    ইরানের ৩৩তম আন্তর্জাতিক পবিত্র কুরআন প্রদর্শনীতে কারুশিল্প শিল্পীদের অংশগ্রহণ

    ইরানের ৩৩তম আন্তর্জাতিক পবিত্র কুরআন প্রদর্শনীতে কারুশিল্প শিল্পীদের অংশগ্রহণ

    তেহরানে ৩৩তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রদর্শনী শুরু

    তেহরানে ৩৩তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রদর্শনী শুরু

    কাতারে ৯ম কাতারা আন্তর্জাতিক কুরআন অ্যাওয়ার্ড: ফাইনালে ১০০ প্রতিযোগী

    কাতারে ৯ম কাতারা আন্তর্জাতিক কুরআন অ্যাওয়ার্ড: ফাইনালে ১০০ প্রতিযোগী

    আল-আজহারের অনন্য কোরআন কপিতে মুগ্ধ কায়রো বইমেলার দর্শকরা

    আল-আজহারের অনন্য কোরআন কপিতে মুগ্ধ কায়রো বইমেলার দর্শকরা

    ঐশী গ্রন্থে করণীয় ও বর্জনীয় বিধানসমূহ

    ঐশী গ্রন্থে করণীয় ও বর্জনীয় বিধানসমূহ

  • ধর্ম
  • শিশু
  • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
  • ব্যক্তিত্ব
  • প্রবন্ধ
  • পর্যটন
No Result
View All Result
THe Muslim World
  • প্রচ্ছদ
  • সর্বশেষ সংবাদ
    রমজানের প্রস্তুতির মাস শাবান শুরু

    রমজানের প্রস্তুতির মাস শাবান শুরু

    আমরা শত্রুুদের হাত কেটে ফেলব : ইরানি সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক

    আমরা শত্রুুদের হাত কেটে ফেলব : ইরানি সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক

    Trending Tags

    • Trump Inauguration
    • United Stated
    • White House
    • Market Stories
    • Election Results
  • বিশেষ সংবাদ
  • ইসলামী বিশ্ব
    ‘আমর বিল মারুফ’ মুমিনের অপরিহার্য দায়িত্ব : সাইয়েদ ইব্রাহিম খলিল রিজভী

    ‘আমর বিল মারুফ’ মুমিনের অপরিহার্য দায়িত্ব : সাইয়েদ ইব্রাহিম খলিল রিজভী

    ইমাম জাফর সাদিক (আ.): ইসলামের ইতিহাসে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব

    ইমাম জাফর সাদিক (আ.): ইসলামের ইতিহাসে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব

    আল-আকসায় নামাজ বন্ধ করার অধিকার নেই ইসরায়েলের : আরব লীগ

    আল-আকসায় নামাজ বন্ধ করার অধিকার নেই ইসরায়েলের : আরব লীগ

    মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় শহীদ হলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

    মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় শহীদ হলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

    কাতারে ৯ম কাতারা আন্তর্জাতিক কুরআন অ্যাওয়ার্ড: ফাইনালে ১০০ প্রতিযোগী

    কাতারে ৯ম কাতারা আন্তর্জাতিক কুরআন অ্যাওয়ার্ড: ফাইনালে ১০০ প্রতিযোগী

    কুরআন ও হাদীসের আলোকে আহলে বাইতের পরিচয় ও মর্যাদা

    কুরআন ও হাদীসের আলোকে আহলে বাইতের পরিচয় ও মর্যাদা

    Trending Tags

    • Nintendo Switch
    • CES 2017
    • Playstation 4 Pro
    • Mark Zuckerberg
  • আন্তর্জাতিক
  • বাংলাদেশ
    ‘আমর বিল মারুফ’ মুমিনের অপরিহার্য দায়িত্ব : সাইয়েদ ইব্রাহিম খলিল রিজভী

    ‘আমর বিল মারুফ’ মুমিনের অপরিহার্য দায়িত্ব : সাইয়েদ ইব্রাহিম খলিল রিজভী

    গাজায় শহীদের সংখ্যা ৭২ হাজার ছাড়ালো

    গাজায় শহীদের সংখ্যা ৭২ হাজার ছাড়ালো

    খুলনায় হযরত ইমাম আলী রেজা (আ.)’র  পবিত্র জন্মবার্ষিকী ‍উদযাপিত

    খুলনায় হযরত ইমাম আলী রেজা (আ.)’র  পবিত্র জন্মবার্ষিকী ‍উদযাপিত

    ‘ইরান যুদ্ধে’ যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য দুর্বল হচ্ছে

    ‘ইরান যুদ্ধে’ যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য দুর্বল হচ্ছে

    ইরানের প্রতি আমাদের সবার সক্রিয় সমর্থন করা উচিত : মাহমুদুর রহমান

    ইরানের প্রতি আমাদের সবার সক্রিয় সমর্থন করা উচিত : মাহমুদুর রহমান

    ইরান যুদ্ধ : উম্মাহ কি কেবল দর্শক হয়েই থাকবে?

    ইরান যুদ্ধ : উম্মাহ কি কেবল দর্শক হয়েই থাকবে?

  • খবর
  • শিল্প ও সাহিত্য

    Trending Tags

    • Golden Globes
    • Game of Thrones
    • MotoGP 2017
    • eSports
    • Fashion Week
  • বইপত্র
  • ইতিহাস- ঐতিহ্য
  • কুরআন
    অর্থ বুঝে কুরআন পাঠের গুরুত্ব

    অর্থ বুঝে কুরআন পাঠের গুরুত্ব

    ইরানের ৩৩তম আন্তর্জাতিক পবিত্র কুরআন প্রদর্শনীতে কারুশিল্প শিল্পীদের অংশগ্রহণ

    ইরানের ৩৩তম আন্তর্জাতিক পবিত্র কুরআন প্রদর্শনীতে কারুশিল্প শিল্পীদের অংশগ্রহণ

    তেহরানে ৩৩তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রদর্শনী শুরু

    তেহরানে ৩৩তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রদর্শনী শুরু

    কাতারে ৯ম কাতারা আন্তর্জাতিক কুরআন অ্যাওয়ার্ড: ফাইনালে ১০০ প্রতিযোগী

    কাতারে ৯ম কাতারা আন্তর্জাতিক কুরআন অ্যাওয়ার্ড: ফাইনালে ১০০ প্রতিযোগী

    আল-আজহারের অনন্য কোরআন কপিতে মুগ্ধ কায়রো বইমেলার দর্শকরা

    আল-আজহারের অনন্য কোরআন কপিতে মুগ্ধ কায়রো বইমেলার দর্শকরা

    ঐশী গ্রন্থে করণীয় ও বর্জনীয় বিধানসমূহ

    ঐশী গ্রন্থে করণীয় ও বর্জনীয় বিধানসমূহ

  • ধর্ম
  • শিশু
  • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
  • ব্যক্তিত্ব
  • প্রবন্ধ
  • পর্যটন
No Result
View All Result
THe Muslim World
No Result
View All Result
Home আন্তর্জাতিক

‘মার্কিন রণতরী আরও ভয়ানক ইরানি অস্ত্রের আঘাতে সাগরের গভীরে ডুবতে পারে’

February 18, 2026
in আন্তর্জাতিক, খবর
Reading Time: 1 min read
0
‘মার্কিন রণতরী আরও ভয়ানক ইরানি অস্ত্রের আঘাতে সাগরের গভীরে ডুবতে পারে’

মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুমকির জবাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেছেন, ‘মার্কিন রণতরীর চেয়েও ইরানের অস্ত্র বেশি বিপজ্জনক- যা তাকে সমুদ্রের তলায় পাঠাতে পারে’।

ইরানের ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা হযরত আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ি আজ সকালে তাবরিজ ও পূর্ব আজারবাইজানের হাজারো মানুষের উচ্ছ্বসিত সমাবেশে এ বছরকে একটি অদ্ভুত ও ঘটনাবহুল বছর হিসেবে উল্লেখ করেন এবং “১২ দিনের যুদ্ধে জাতির বিজয়”, “দেই মাসের গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুতর ষড়যন্ত্রকে দমন”, এবং গত “২২ দেই বা ১২ জানুয়ারি ও ২২ বহমানে তথা ১১ ফেব্রুয়ারি জনগণের অভূতপূর্ব উপস্থিতি”কে প্রিয় ইরানি জাতির শক্তি ও জীবন্ত থাকার নিদর্শন হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আরও খবর

হজ : মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের প্রতীক

ইরানের হামলা ছিল অনেক ‘নিখুঁত ও ব্যাপক’, ক্ষতিগ্রস্ত হয় ২০ মার্কিন সামরিক স্থাপনা

শোক ভুলে মার্কিন মুসলিমদের ইসলামোফোবিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধের আহ্বান

ইরনা’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হযরত আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ি “প্রস্তুতি, সতর্কতা ও জাতীয় ঐক্য” রক্ষা ও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন: শত্রুদের সঙ্গে যুক্ত মূল চক্র ও দুর্নীতিগ্রস্ত তথা গুন্ডা প্রকৃতির লোকগুলো ছাড়া, দাঙ্গায় নিহত সকল শহীদ ও প্রাণ হারানো ব্যক্তিরা —যাদের মধ্যে “সমাজের নিরাপত্তা ও শান্তির রক্ষাকারী বাহিনী”, “নির্দোষ পথচারী”, এমনকি “সরলতা ও ক্ষোভের কারণে ষড়যন্ত্রে জড়িয়ে পড়া প্রতারিত ব্যক্তিরাও” অন্তর্ভুক্ত—তারা আমাদের সন্তান এবং তাদের সবার জন্য আমরা শোকাহত।

ইসলামী বিপ্লবের নেতা সমস্যার সমাধান, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও জাতীয় মুদ্রার মূল্য সংরক্ষণে রাষ্ট্রনায়কদের দ্বিগুণ প্রচেষ্টার ওপর জোর দেন। বক্তব্যের আরেক অংশে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে হামলা প্রসঙ্গে মার্কিন কর্মকর্তাদের ও গণমাধ্যমের অযৌক্তিক হস্তক্ষেপ ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ হুমকির কথা উল্লেখ করে বলেছেন: তারাও জানে যে তারা এসব কথা ও কাজের পরিণতি সহ্য করতে পারবে না, এবং “যে সেনাবাহিনী নিজেকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মনে করে” সেই বাহিনী এমন এক শক্ত চড় খেতে পারে যে আর দাঁড়াতে পারবে না। একইসঙ্গে তিনি বলেন, হুমকির মোকাবিলায় দায়িত্বশীল সংস্থাগুলো প্রস্তুত রয়েছে এবং জাতির উচিত শান্ত ও আশ্বস্ত মনে নিজেদের কাজ ও জীবন চালিয়ে যাওয়া।

এই সাক্ষাৎটি অনুষ্ঠিত হয় তাবরিজের জনগণের ১৩৫৬ সালের (১৯৭৮, ১৮ ফেব্রুয়ারি) ২৯ বাহমানের ভাগ্য-নির্ধারক গণআন্দোলনের বার্ষিকীর প্রাক্কালে। তিনি ওই আন্দোলনের বৈশিষ্ট্য হিসেবে “সময়জ্ঞান, সময়োপযোগী পদক্ষেপ ও আত্মত্যাগ”-এর কথা উল্লেখ করেন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে আজারবাইজানের তরুণ প্রজন্মের আশাব্যঞ্জক উপস্থিতির প্রশংসা করে বলেন: গত ২২ বহমানের মিছিলে তাবরিজবাসীর দ্বিগুণ উপস্থিতি প্রমাণ করে যে তারা সমগ্র ইরানি জাতির মতোই জীবন্ত ও উদ্যমী, এবং এমন জাতি কখনো রাজনৈতিক খেলা ও শত্রুর কৌশলে প্রতারিত হয় না।

বিপ্লবের নেতা এ বছরকে “ইরানি জাতির মহত্ত্ব, ইচ্ছাশক্তি, দৃঢ় সংকল্প ও অন্যান্য সক্ষমতার বারবার উন্মোচনের বছর” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন: জাতি পুনঃপুন শক্তি প্রদর্শন ও দৃঢ় অবস্থানের মাধ্যমে ইরানকে সম্মানিত ও গৌরবান্বিত করেছে, এবং এ সময়ে বিদেশ সফরে যাওয়া কর্মকর্তারা অন্যান্য দেশের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতে জাতির এই বিশেষ মর্যাদা স্পষ্টভাবে অনুভব করেছেন।

তিনি দেই মাসের ষড়যন্ত্রের প্রকৃতি ও মাত্রা “চিন্তাবিদ ও বিশ্লেষকদের” মাধ্যমে ব্যাখ্যার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে বলেন: যা ঘটেছে তা কেবল কিছু রাগান্বিত তরুণ ও অ-তরুণের বিশৃঙ্খলা ছিল না; বরং এটি ছিল একটি “পরিকল্পিত অভ্যুত্থান”, যা ইরানি জাতির পায়ের নিচে পিষ্ট হয়েছে।

হযরত আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ি ব্যাখ্যা করেন: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের গোয়েন্দা ও গুপ্তচর সংস্থাগুলো, কিছু অন্যান্য দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায়, অনেক আগে থেকেই কিছু দুষ্কৃতকারী বা অপরাধপ্রবণ ব্যক্তিকে নিয়োগ করে বিদেশে তাদের প্রশিক্ষণ, অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহ করে এবং নাশকতা চালাতে ও সামরিক আর সরকারি স্থাপনা ও কেন্দ্রগুলোতে হামলার উদ্দেশ্যে দেশে পাঠায়, যাতে উপযুক্ত সুযোগে তারা সক্রিয় হতে পারে; আর সেই সুযোগই তারা দেই মাসের মাঝামাঝি (জানুয়ারির প্রথম দিকে) সময়ে পেয়েছে।

তিনি বলেছেন, “কিছু অনভিজ্ঞ ও সরল মানুষকে প্রভাবিত ও ক্ষুব্ধ করে তোলা” ছিল ষড়যন্ত্রের নির্দেশদাতা ও পরিচালকদের আরেকটি পদক্ষেপ। প্রশিক্ষিত এই ব্যক্তিরা এ ধরনের লোকদের সামনে ঠেলে দেয় এবং নিজেরাও বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে “সহিংস ও বেপরোয়া পদক্ষেপের” লক্ষ্যে মাঠে নামে এবং দায়েশের মতো অদ্ভুত নৃশংস সহিংসতার আশ্রয় নিয়ে “আগুন লাগায়, হত্যা করে ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।”

তিনি এসব কর্মকাণ্ডের মূল লক্ষ্য হিসেবে রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিত্তিকে দুর্বল করার কথা উল্লেখ করে বলেছেন: তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বসিজ তথা স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী, সেপাহ তথা বিপ্লবী গার্ড বাহিনী এবং বিপুল সংখ্যক জনগণ বিশৃঙ্খলাকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় এবং সব প্রস্তুতি ও বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও “অভ্যুত্থান” স্পষ্টভাবে ব্যর্থ হয় এবং ইরানি জাতি বিজয়ী হয়।

হযরত আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ি “২২ দেই ও ২২ বহমানের অভূতপূর্ব মিছিলগুলো”কে “খোদায়ি নিদর্শন” হিসেবে অভিহিত করে জোর দিয়ে বলেন: যে প্রিয় জাতি এভাবে শত্রুর বিদ্বেষ ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বিজয়ী হতে পেরেছে, তাদের উচিত “প্রস্তুতি, সতর্কতা ও জাতীয় ঐক্য” বজায় রেখে এই সুস্পষ্ট ঐশী অনুগ্রহ সংরক্ষণ করা।

তিনি দাঙ্গায় ঝরে পড়া রক্ত সম্পর্কে বলেন: যারা ষড়যন্ত্রের মূল হোতা ও অভ্যুত্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিল, তারা তাদের প্রাপ্য শাস্তি পেয়েছে এবং তাদের হিসাব আল্লাহর কাছে; তবে বাকি তিন শ্রেণির নিহতদের আমরা আমাদের সন্তান মনে করি এবং তাদের সবার জন্য শোকাহত।

তিনি প্রথম শ্রেণির নিহতদের—অর্থাৎ “আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বসিজ, সেপাহ ও তাদের সঙ্গে থাকা জনগণ”কে—সমাজ ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, শান্তি ও সুস্থতার শ্রেষ্ঠ শহীদ বলে উল্লেখ করেছেন। দ্বিতীয় শ্রেণির নিহতরা—যারা নির্দোষ পথচারী ও সাধারণ মানুষ—তাঁদেরও শহীদ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন: কারণ শত্রু-সৃষ্ট এই ষড়যন্ত্রে তারা গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।

ইসলামী বিপ্লবের নেতা বলেন: তৃতীয় শ্রেণির নিহতরা হলেন “প্রতারিত ব্যক্তিরা, যারা সরলতার কারণে ষড়যন্ত্রকারীদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল”; তারাও আমাদেরই সন্তান, আমরা তাদের জন্যও শোকাহত, এবং সকল নিহতের জন্য আমরা আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা প্রার্থনা করছি। তিনি আরও বলেন: প্রতারিতদের কেউ কেউ, যাদের গ্রেপ্তার বা কারাবন্দি করা হয়নি, তারা আমাকে চিঠি লিখে অনুশোচনা প্রকাশ করেছে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করেছে।

হযরত আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ি আমেরিকানদের আইএসআইএস (দায়েশ) গঠন করার স্বীকারোক্তির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন: সেই দায়েশ কমবেশি নির্মূল হয়েছে, কিন্তু এরা “নতুন দায়েশ”—এ বিষয়ে সকল দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে; বিশেষ করে তরুণদের সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে—কে তাদের কী বলছে এবং কী প্রস্তাব দিচ্ছে, সে ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে।

বিপ্লবের নেতা জোর দিয়ে বলেন: জনগণ দাঙ্গা বা বিশৃঙ্খলার মূল দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের বিচার ও শাস্তি চায়, এবং বিচার ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর দায়িত্ব হলো তাদের বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করা এবং যারা “কথা, বিশ্লেষণ ও কাজে” শত্রুর সঙ্গে সহযোগিতা করে তাদের সঙ্গেও ন্যায়সঙ্গত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

তিনি আরও বলেছেন: খুব সম্ভবত ইসলামী প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে আমেরিকার পরবর্তী পরিকল্পনাও একই ধাঁচের হবে; তবে নিঃসন্দেহে আল্লাহর অনুগ্রহে এবং জাতির প্রস্তুতি ও সচেতনতার আলোকে, এ ধরনের যেকোনো পদক্ষেপ জাতির দৃঢ় মোকাবিলায় ধ্বংস হয়ে যাবে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আরও বলেন: আমেরিকা চায় ইরানকে গ্রাস করতে, কিন্তু ইরানি জাতি ও ইসলামী প্রজাতন্ত্র তাদের লক্ষ্য বাস্তবায়নে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বক্তব্যের অন্য অংশে তিনি আমেরিকার অসংখ্য অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সমস্যাকে সেই দেশের সাম্রাজ্যিক শক্তির পতন ও অবসানের লক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: আমাদের সঙ্গে আমেরিকার সমস্যা হলো—তারা ইরানকে গিলে ফেলতে চায়, কিন্তু ইরানি জাতি ও ইসলামী প্রজাতন্ত্র তাদের লক্ষ্য পূরণে বাধা।

তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুমকিমূলক বক্তব্যকে ইরানি জাতির ওপর আধিপত্য বিস্তারের আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন: ইরানি জাতি তাদের ইসলামী ও শাহাদাতের শিয়া সংস্কৃতির শিক্ষা ভালোভাবেই জানে এবং জানে কখন কী করতে হয়।

হযরত আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ি ইমাম হোসাইন (আ.)-এর ঐতিহাসিক উক্তি—“আমার মতো কেউ ইয়াজিদের মতো নিচ ও হীন কারও প্রতি বাইয়াত তথা আনুগত্য করে না”—উল্লেখ করে বলেন: ইরানি জাতিও বলে, আমাদের মতো সংস্কৃতি, ইতিহাস ও উচ্চতর মূল্যবোধসম্পন্ন জাতি আমেরিকার দুর্নীতিগ্রস্ত শাসকদের প্রতি কখনো আনুগত্য স্বীকার করবে না।

তিনি “কুখ্যাত দ্বীপ” কাণ্ডে প্রকাশিত চাঞ্চল্যকর দুর্নীতিকে পশ্চিমা সভ্যতা ও লিবারেল গণতন্ত্রের প্রকৃত চেহারার প্রতিফলন বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন: পশ্চিমা নেতাদের দুর্নীতি সম্পর্কে আমরা যা শুনেছি তা একদিকে, আর এই দ্বীপের ঘটনা আরেকদিকে। এটি তাদের অসংখ্য দুর্নীতির কেবল একটি উদাহরণ; যেমন এটি আগে গোপন ছিল, পরে প্রকাশ পেয়েছে—তেমনি আরও বহু বিষয় ভবিষ্যতে প্রকাশ পাবে।

তিনি বলেন: আমেরিকার সরকারি কর্মকর্তাদের বক্তব্য ও মার্কিনভিত্তিক ইহুদিবাদী গণমাধ্যমের প্রচারণায় আমাদের দেশের বিরুদ্ধে যে সর্বব্যাপী হুমকির পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, তাবরিজের জনগণ ও ইরানি জাতি ২২ বহমানে তার জবাব দিয়েছে এবং দেখিয়েছে যে হুমকি কোনো প্রভাব ফেলে না; বরং জাতির প্রেরণা আরও বাড়িয়ে দেয়।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা জোর দিয়ে বলেন: আমেরিকানরা যুদ্ধের হুমকি দিলেও তারা জানে—নিজেদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক সমস্যা ও আন্তর্জাতিক মর্যাদার কারণে তারা এসব কথার বাস্তবায়ন করতে পারবে না। তারা জানে, ভুল করলে তাদের জন্য কী পরিণতি অপেক্ষা করছে।

তিনি বলেন: আমেরিকার আরেকটি অযৌক্তিকতা হলো ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ, বিশেষ করে আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—অস্ত্রসজ্জা প্রসঙ্গে।

তিনি বলেন: প্রতিরোধমূলক অস্ত্রসজ্জা জাতির জন্য অপরিহার্য ও বাধ্যতামূলক। যে দেশ প্রতিরোধক্ষম অস্ত্র ছাড়া থাকে, সে দেশ শত্রুর পদতলে পিষ্ট হয়। অথচ আমেরিকানরা হস্তক্ষেপ করে বলে—তোমরা অমুক ধরনের বা অমুক পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র রাখতে পারবে না। অথচ এটি ইরানি জাতির বিষয় যার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা তাঁর দেশের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শিল্প—যা চিকিৎসা, কৃষি ও জ্বালানির মত নানা কাজে ব্যবহৃত হয়—সে অধিকারেও আমেরিকার হস্তক্ষেপকে অযৌক্তিক বলে উল্লেখ করে বলেন: এটি ইরানি জাতির বিষয়; এর সঙ্গে তোমাদের কী সম্পর্ক?

তিনি জনগণের স্লোগান—“পারমাণবিক শক্তি আমাদের অবিচ্ছেদ্য অধিকার”—উল্লেখ করে বলেন: আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার চুক্তি ও বিধিমালায়ও সব দেশের জন্য পারমাণবিক স্থাপনা ও সমৃদ্ধকরণের অধিকার স্বীকৃত। জাতীয় অধিকারে আমেরিকার হস্তক্ষেপ তাদের বর্তমান ও অতীত কর্মকর্তাদের বিশৃঙ্খল চিন্তাধারার পরিচায়ক।

তিনি বলেন: আমেরিকানদের আরও বিস্ময়কর অযৌক্তিকতা হলো—তারা আলোচনা করার আহ্বান জানায়, কিন্তু বলে আলোচনার ফলাফল আগে থেকেই নির্ধারিত—তোমাদের পারমাণবিক শক্তি থাকতে পারবে না! তিনি বলেন: যদি আলোচনা হয়ও, তার ফল আগে থেকেই নির্ধারণ করা ভুল ও নির্বুদ্ধিতার কাজ। অথচ আমেরিকার সরকার, প্রেসিডেন্ট ও কিছু সিনেটর এ নির্বুদ্ধিতাই করছে এবং বুঝতে পারছে না—এই পথ তাদের জন্য অচলাবস্থা তৈরি করবে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মার্কিন প্রেসিডেন্টের “বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনী” থাকার দাবির প্রসঙ্গে বলেন: সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনীও কখনো এমন চড় খেতে পারে যে দাঁড়াতে পারবে না।

আমেরিকার আরেক হুমকি—যুদ্ধজাহাজ ইরানের দিকে পাঠানো—প্রসঙ্গে তিনি বলেন: জাহাজ অবশ্যই বিপজ্জনক, কিন্তু তার চেয়েও বিপজ্জনক সেই অস্ত্র, যা জাহাজকে সমুদ্রের তলদেশে পাঠাতে পারে।

তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের স্বীকারোক্তির প্রসঙ্গ তুলে বলেন—৪৭ বছর পরও তারা ইসলামী প্রজাতন্ত্রকে ধ্বংস করতে পারেনি—এটি একটি ভালো স্বীকারোক্তি। আমি বলি, ভবিষ্যতেও তুমি পারবে না; কারণ ইসলামী প্রজাতন্ত্র জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো সরকার নয়, বরং এটি জীবন্ত, দৃঢ় ও অটল জাতির ওপর নির্ভরশীল—যারা গত ৪৭ বছরে নিজেদের অগ্রগতির জন্য শ্রম ও চেষ্টা করেছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন: বিপ্লবের প্রথম দিনগুলোতে শত্রুরা ইসলামী প্রজাতন্ত্রের কোমল চারা উপড়ে ফেলতে পারেনি; আজ তা আল্লাহর রহমতে এক বরকতময়, সুউচ্চ ও ফলবান বৃক্ষে পরিণত হয়েছে। এখন এ রাষ্ট্রে বহু সুযোগ-সুবিধা রয়েছে; প্রিয় ও সম্মানিত সরকারি কর্মকর্তাদের উচিত এসব সুযোগ কাজে লাগিয়ে দ্বিগুণ পরিশ্রম করা, যাতে বর্তমান মূল্যস্ফীতি ও জাতীয় মুদ্রার অযৌক্তিক অবমূল্যায়ন সংশোধন হয়—এবং ইনশাআল্লাহ তা সংশোধিত হবে।

তিনি আরও বলেন: শুরু হওয়া কাজগুলো ধারাবাহিক, সুনির্দিষ্ট ও সর্বাঙ্গীণভাবে এগিয়ে নেওয়া, সমস্যা সমাধান এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ শান্ত রাখা—এগুলো দায়িত্বশীলদের কর্তব্য। যদি কোনো হুমকি থাকে, তা মোকাবিলার ব্যবস্থাও রয়েছে; তাই জনগণ উদ্বেগ ছাড়া কাজ, জীবন, শিক্ষা, ব্যবসা ও বাণিজ্যে মনোযোগ দিক।

তিনি দেশে শান্তি ও আত্মবিশ্বাস প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে আশা প্রকাশ করেন—আল্লাহ যেন জনগণের অন্তরে প্রশান্তি নাজিল করেন এবং কর্মকর্তাদের তাদের দায়িত্ব পালনে সফলতা দান করেন।

বিপ্লবের নেতার বক্তব্যের আগে, পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশে সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি ও তাবরিজের জুমার নামাজের ইমাম হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন মোতাহারি আসল বলেন: ইহুদিবাদী ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের বিরুদ্ধে এ প্রদেশের সামরিক বাহিনী ও জনগণের সক্রিয় প্রতিরোধ এবং ২২ দেই (১২ জানুয়ারি) ও ২২ বহমানের তথা ১১ ফেব্রুয়ারির বিশাল মিছিলে জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে—আজারবাইজানের জনগণ সবসময় ইসলামী, বিপ্লবী ও জাতীয় দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত।

পার্স টুডে/

Previous Post

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর, উপনেতা ডা. তাহের, চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম

Next Post

সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে রমজান শুরু

এ জাতীয়আরও খবর

হজ : মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের প্রতীক
খবর

হজ : মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের প্রতীক

June 2, 2026
ইরানের হামলা ছিল অনেক ‘নিখুঁত ও ব্যাপক’, ক্ষতিগ্রস্ত হয় ২০ মার্কিন সামরিক স্থাপনা
আন্তর্জাতিক

ইরানের হামলা ছিল অনেক ‘নিখুঁত ও ব্যাপক’, ক্ষতিগ্রস্ত হয় ২০ মার্কিন সামরিক স্থাপনা

June 2, 2026
শোক ভুলে মার্কিন মুসলিমদের ইসলামোফোবিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধের আহ্বান
আন্তর্জাতিক

শোক ভুলে মার্কিন মুসলিমদের ইসলামোফোবিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধের আহ্বান

May 25, 2026
যুদ্ধের ময়দানে এআই ব্যবহারের বিরুদ্ধে পোপের কঠোর হুঁশিয়ারি
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধের ময়দানে এআই ব্যবহারের বিরুদ্ধে পোপের কঠোর হুঁশিয়ারি

May 25, 2026
ইরানের প্রস্তাব মেনে নিতে ট্রাম্পকে অনুরোধ আরব নেতাদের
আন্তর্জাতিক

ইরানের প্রস্তাব মেনে নিতে ট্রাম্পকে অনুরোধ আরব নেতাদের

May 25, 2026
ইরানে শহীদ ইমাম খামেনেয়ীর বাংলায় অনূদিত গ্রন্থাবলীর মোড়ক উন্মোচন
খবর

ইরানে শহীদ ইমাম খামেনেয়ীর বাংলায় অনূদিত গ্রন্থাবলীর মোড়ক উন্মোচন

May 24, 2026
Next Post
সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে রমজান শুরু

সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে রমজান শুরু

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Archives

  • June 2026
  • May 2026
  • April 2026
  • March 2026
  • February 2026
  • January 2026
  • December 2025
  • September 2025

Recent News

হজ : মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের প্রতীক

হজ : মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের প্রতীক

June 2, 2026
ইরানের হামলা ছিল অনেক ‘নিখুঁত ও ব্যাপক’, ক্ষতিগ্রস্ত হয় ২০ মার্কিন সামরিক স্থাপনা

ইরানের হামলা ছিল অনেক ‘নিখুঁত ও ব্যাপক’, ক্ষতিগ্রস্ত হয় ২০ মার্কিন সামরিক স্থাপনা

June 2, 2026
  • About
  • Advertise
  • Privacy & Policy
  • Contact

© 2025 Muslimbd - Muslim News Theme by MuslimBD.

No Result
View All Result

© 2025 Muslimbd - Muslim News Theme by MuslimBD.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In