• About
  • Advertise
  • Privacy & Policy
  • Contact
Tuesday, June 2, 2026
  • Login
  • প্রচ্ছদ
  • সর্বশেষ সংবাদ
    রমজানের প্রস্তুতির মাস শাবান শুরু

    রমজানের প্রস্তুতির মাস শাবান শুরু

    আমরা শত্রুুদের হাত কেটে ফেলব : ইরানি সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক

    আমরা শত্রুুদের হাত কেটে ফেলব : ইরানি সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক

    Trending Tags

    • Trump Inauguration
    • United Stated
    • White House
    • Market Stories
    • Election Results
  • বিশেষ সংবাদ
  • ইসলামী বিশ্ব
    ‘আমর বিল মারুফ’ মুমিনের অপরিহার্য দায়িত্ব : সাইয়েদ ইব্রাহিম খলিল রিজভী

    ‘আমর বিল মারুফ’ মুমিনের অপরিহার্য দায়িত্ব : সাইয়েদ ইব্রাহিম খলিল রিজভী

    ইমাম জাফর সাদিক (আ.): ইসলামের ইতিহাসে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব

    ইমাম জাফর সাদিক (আ.): ইসলামের ইতিহাসে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব

    আল-আকসায় নামাজ বন্ধ করার অধিকার নেই ইসরায়েলের : আরব লীগ

    আল-আকসায় নামাজ বন্ধ করার অধিকার নেই ইসরায়েলের : আরব লীগ

    মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় শহীদ হলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

    মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় শহীদ হলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

    কাতারে ৯ম কাতারা আন্তর্জাতিক কুরআন অ্যাওয়ার্ড: ফাইনালে ১০০ প্রতিযোগী

    কাতারে ৯ম কাতারা আন্তর্জাতিক কুরআন অ্যাওয়ার্ড: ফাইনালে ১০০ প্রতিযোগী

    কুরআন ও হাদীসের আলোকে আহলে বাইতের পরিচয় ও মর্যাদা

    কুরআন ও হাদীসের আলোকে আহলে বাইতের পরিচয় ও মর্যাদা

    Trending Tags

    • Nintendo Switch
    • CES 2017
    • Playstation 4 Pro
    • Mark Zuckerberg
  • আন্তর্জাতিক
  • বাংলাদেশ
    ‘আমর বিল মারুফ’ মুমিনের অপরিহার্য দায়িত্ব : সাইয়েদ ইব্রাহিম খলিল রিজভী

    ‘আমর বিল মারুফ’ মুমিনের অপরিহার্য দায়িত্ব : সাইয়েদ ইব্রাহিম খলিল রিজভী

    গাজায় শহীদের সংখ্যা ৭২ হাজার ছাড়ালো

    গাজায় শহীদের সংখ্যা ৭২ হাজার ছাড়ালো

    খুলনায় হযরত ইমাম আলী রেজা (আ.)’র  পবিত্র জন্মবার্ষিকী ‍উদযাপিত

    খুলনায় হযরত ইমাম আলী রেজা (আ.)’র  পবিত্র জন্মবার্ষিকী ‍উদযাপিত

    ‘ইরান যুদ্ধে’ যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য দুর্বল হচ্ছে

    ‘ইরান যুদ্ধে’ যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য দুর্বল হচ্ছে

    ইরানের প্রতি আমাদের সবার সক্রিয় সমর্থন করা উচিত : মাহমুদুর রহমান

    ইরানের প্রতি আমাদের সবার সক্রিয় সমর্থন করা উচিত : মাহমুদুর রহমান

    ইরান যুদ্ধ : উম্মাহ কি কেবল দর্শক হয়েই থাকবে?

    ইরান যুদ্ধ : উম্মাহ কি কেবল দর্শক হয়েই থাকবে?

  • খবর
  • শিল্প ও সাহিত্য

    Trending Tags

    • Golden Globes
    • Game of Thrones
    • MotoGP 2017
    • eSports
    • Fashion Week
  • বইপত্র
  • ইতিহাস- ঐতিহ্য
  • কুরআন
    অর্থ বুঝে কুরআন পাঠের গুরুত্ব

    অর্থ বুঝে কুরআন পাঠের গুরুত্ব

    ইরানের ৩৩তম আন্তর্জাতিক পবিত্র কুরআন প্রদর্শনীতে কারুশিল্প শিল্পীদের অংশগ্রহণ

    ইরানের ৩৩তম আন্তর্জাতিক পবিত্র কুরআন প্রদর্শনীতে কারুশিল্প শিল্পীদের অংশগ্রহণ

    তেহরানে ৩৩তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রদর্শনী শুরু

    তেহরানে ৩৩তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রদর্শনী শুরু

    কাতারে ৯ম কাতারা আন্তর্জাতিক কুরআন অ্যাওয়ার্ড: ফাইনালে ১০০ প্রতিযোগী

    কাতারে ৯ম কাতারা আন্তর্জাতিক কুরআন অ্যাওয়ার্ড: ফাইনালে ১০০ প্রতিযোগী

    আল-আজহারের অনন্য কোরআন কপিতে মুগ্ধ কায়রো বইমেলার দর্শকরা

    আল-আজহারের অনন্য কোরআন কপিতে মুগ্ধ কায়রো বইমেলার দর্শকরা

    ঐশী গ্রন্থে করণীয় ও বর্জনীয় বিধানসমূহ

    ঐশী গ্রন্থে করণীয় ও বর্জনীয় বিধানসমূহ

  • ধর্ম
  • শিশু
  • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
  • ব্যক্তিত্ব
  • প্রবন্ধ
  • পর্যটন
No Result
View All Result
THe Muslim World
  • প্রচ্ছদ
  • সর্বশেষ সংবাদ
    রমজানের প্রস্তুতির মাস শাবান শুরু

    রমজানের প্রস্তুতির মাস শাবান শুরু

    আমরা শত্রুুদের হাত কেটে ফেলব : ইরানি সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক

    আমরা শত্রুুদের হাত কেটে ফেলব : ইরানি সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক

    Trending Tags

    • Trump Inauguration
    • United Stated
    • White House
    • Market Stories
    • Election Results
  • বিশেষ সংবাদ
  • ইসলামী বিশ্ব
    ‘আমর বিল মারুফ’ মুমিনের অপরিহার্য দায়িত্ব : সাইয়েদ ইব্রাহিম খলিল রিজভী

    ‘আমর বিল মারুফ’ মুমিনের অপরিহার্য দায়িত্ব : সাইয়েদ ইব্রাহিম খলিল রিজভী

    ইমাম জাফর সাদিক (আ.): ইসলামের ইতিহাসে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব

    ইমাম জাফর সাদিক (আ.): ইসলামের ইতিহাসে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব

    আল-আকসায় নামাজ বন্ধ করার অধিকার নেই ইসরায়েলের : আরব লীগ

    আল-আকসায় নামাজ বন্ধ করার অধিকার নেই ইসরায়েলের : আরব লীগ

    মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় শহীদ হলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

    মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় শহীদ হলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

    কাতারে ৯ম কাতারা আন্তর্জাতিক কুরআন অ্যাওয়ার্ড: ফাইনালে ১০০ প্রতিযোগী

    কাতারে ৯ম কাতারা আন্তর্জাতিক কুরআন অ্যাওয়ার্ড: ফাইনালে ১০০ প্রতিযোগী

    কুরআন ও হাদীসের আলোকে আহলে বাইতের পরিচয় ও মর্যাদা

    কুরআন ও হাদীসের আলোকে আহলে বাইতের পরিচয় ও মর্যাদা

    Trending Tags

    • Nintendo Switch
    • CES 2017
    • Playstation 4 Pro
    • Mark Zuckerberg
  • আন্তর্জাতিক
  • বাংলাদেশ
    ‘আমর বিল মারুফ’ মুমিনের অপরিহার্য দায়িত্ব : সাইয়েদ ইব্রাহিম খলিল রিজভী

    ‘আমর বিল মারুফ’ মুমিনের অপরিহার্য দায়িত্ব : সাইয়েদ ইব্রাহিম খলিল রিজভী

    গাজায় শহীদের সংখ্যা ৭২ হাজার ছাড়ালো

    গাজায় শহীদের সংখ্যা ৭২ হাজার ছাড়ালো

    খুলনায় হযরত ইমাম আলী রেজা (আ.)’র  পবিত্র জন্মবার্ষিকী ‍উদযাপিত

    খুলনায় হযরত ইমাম আলী রেজা (আ.)’র  পবিত্র জন্মবার্ষিকী ‍উদযাপিত

    ‘ইরান যুদ্ধে’ যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য দুর্বল হচ্ছে

    ‘ইরান যুদ্ধে’ যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য দুর্বল হচ্ছে

    ইরানের প্রতি আমাদের সবার সক্রিয় সমর্থন করা উচিত : মাহমুদুর রহমান

    ইরানের প্রতি আমাদের সবার সক্রিয় সমর্থন করা উচিত : মাহমুদুর রহমান

    ইরান যুদ্ধ : উম্মাহ কি কেবল দর্শক হয়েই থাকবে?

    ইরান যুদ্ধ : উম্মাহ কি কেবল দর্শক হয়েই থাকবে?

  • খবর
  • শিল্প ও সাহিত্য

    Trending Tags

    • Golden Globes
    • Game of Thrones
    • MotoGP 2017
    • eSports
    • Fashion Week
  • বইপত্র
  • ইতিহাস- ঐতিহ্য
  • কুরআন
    অর্থ বুঝে কুরআন পাঠের গুরুত্ব

    অর্থ বুঝে কুরআন পাঠের গুরুত্ব

    ইরানের ৩৩তম আন্তর্জাতিক পবিত্র কুরআন প্রদর্শনীতে কারুশিল্প শিল্পীদের অংশগ্রহণ

    ইরানের ৩৩তম আন্তর্জাতিক পবিত্র কুরআন প্রদর্শনীতে কারুশিল্প শিল্পীদের অংশগ্রহণ

    তেহরানে ৩৩তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রদর্শনী শুরু

    তেহরানে ৩৩তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রদর্শনী শুরু

    কাতারে ৯ম কাতারা আন্তর্জাতিক কুরআন অ্যাওয়ার্ড: ফাইনালে ১০০ প্রতিযোগী

    কাতারে ৯ম কাতারা আন্তর্জাতিক কুরআন অ্যাওয়ার্ড: ফাইনালে ১০০ প্রতিযোগী

    আল-আজহারের অনন্য কোরআন কপিতে মুগ্ধ কায়রো বইমেলার দর্শকরা

    আল-আজহারের অনন্য কোরআন কপিতে মুগ্ধ কায়রো বইমেলার দর্শকরা

    ঐশী গ্রন্থে করণীয় ও বর্জনীয় বিধানসমূহ

    ঐশী গ্রন্থে করণীয় ও বর্জনীয় বিধানসমূহ

  • ধর্ম
  • শিশু
  • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
  • ব্যক্তিত্ব
  • প্রবন্ধ
  • পর্যটন
No Result
View All Result
THe Muslim World
No Result
View All Result
Home ইসলামী বিশ্ব

ঐশী গ্রন্থে করণীয় ও বর্জনীয় বিধানসমূহ

January 18, 2026
in ইসলামী বিশ্ব, কুরআন, খবর, প্রবন্ধ, বিশেষ সংবাদ
Reading Time: 1 min read
0
ঐশী গ্রন্থে করণীয় ও বর্জনীয় বিধানসমূহ

ঐশী গ্রন্থসমূহ মানবজাতির হেদায়েত ও কল্যাণের জন্য আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে প্রেরিত পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। তাওরাত, ইঞ্জিল ও সর্বশেষ পবিত্র কুরআন—সব আসমানি কিতাবেই মানুষের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও আধ্যাত্মিক জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা রয়েছে। এসব গ্রন্থ কেবল বিধি-বিধানেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর মধ্যে রয়েছে ঈমান ও বিশ্বাসের শিক্ষা, সতর্কবাণী, শিক্ষণীয় ইতিহাস, নসিহত, এবং মানুষের চিন্তা-গবেষণাকে জাগ্রত করার আহ্বান, যা মানুষের জীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করার জন্য অপরিহার্য। ঐশী গ্রন্থের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ নিচে দেয়া হলো:

এক- বিধিবিধান (দায়িত্ব ও কর্তব্যসমূহ)
তাওরাতকে অর্পণ করার অর্থ কি এটা বুঝতে হলে আমাদের প্রথমে জানতে হবে প্রকৃতপক্ষে তাওরাত কি? শুধু তাওরাত নয়, যেকোন আসমানি কিতাবের (ঐশী গ্রন্থ) একটি অপরিহার্য অংশ হল করণীয় ও বর্জনীয় বিধানসমূহ। পবিত্র কুরআনে দৃষ্টি দিলেও আমরা বেশকিছু বর্ণনামূলক ও নির্দেশমূলক (আদেশ-নিষেধ) বাক্য দেখি; যেমন :
وَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ وَآتُوا الزَّكَاةَ
নামায কায়েম কর ও যাকাত আদায় কর।
وَجَاهَدُواْ فِي سَبِيلِ اللّهِ
“তারা আল্লাহর পথে প্রচেষ্টা চালিয়েছে।”
كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ
“তোমাদের ওপর রোযা অপরিহার্য করা হয়েছে।” এ বাক্যগুলোসহ যেসব আয়াতে নামায, জিহাদ, রোযা, যাকাত, দান-খয়রাত ও অন্যান্য সৎকর্মের নির্দেশ দেয়া হয়েছে তার সবই দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কিত বিধিবিধান। পুরো কুরআন এ বিষয়টি নিয়ে নয় বরং কুরআনের একাংশ মাত্র।
দুই- আকীদা-বিশ্বাস
আসমানি কিতাবসমূহের একাংশ হল আকীদা-বিশ্বাস নিয়ে। তাওরাত ও ইনজিলও তাই। পবিত্র কুরআনও এরূপ। এ অংশ দায়িত্ব-কর্তব্য নিয়ে নয়। একাংশ আয়াত ঈমান ও বিশ্বাস সংক্রান্ত যা মানুষকে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী করে এবং আল্লাহর আয়াত ও নিদর্শনগুলোকে মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয়। যেমন:
أَفَلَمْ يَسِيرُواْ فِي الأَرْضِ فَيَنظُرُواْ
তারা কি পৃথিবীর ওপর বিচরণ করে না এবং লক্ষ্য করে না?
أَفَلَا يَنْظُرُونَ إِلَى الْإِبِلِ كَيْفَ خُلِقَتْ وَإِلَى السَّمَاءِ كَيْفَ رُفِعَتْ
তারা কি উটের প্রতি লক্ষ্য করে না যে, কিভাবে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে? তারা কি আকাশের প্রতি লক্ষ্য করে না যে, কিভাবে তাকে সমুন্নীত করা হয়েছে? (তারা কি সমুদ্র নিয়ে চিন্তাভাবনা করে না যে,) তিনিই (আল্লাহ) তাকে তোমাদের অধীন করেছেন? এসব আয়াত মানুষকে চিন্তা-ভাবনা করা, বিচার-বুদ্ধি প্রয়োগ ও গবেষণার দিকে আহ্বান করে যাতে মানুষের মধ্যে বিশ্বাস সৃষ্টি হয় ও তাদের ঈমান বৃদ্ধি পায়। বিশ্বাস আমলের পূর্বের বিষয়। মানুষকে আমলে প্রবেশের পূর্বে ঈমানের অধিকারী হতে হয়। আপনাদের এ বিষয়ে কি মনে হয় যেসব আরব ইসলামের দাওয়াতের শুরুতে মহানবির (সা.) কাছে এসেছিল তিনি (সা.) তাদের সামনে কুরআনের কোন্ আয়াতগুলি পাঠ করেছেন? ঐদিনগুলোতে তিনি যে আয়াতগুলি পাঠ করতেন তার প্রত্যেকটি তাঁদের মনে ঈমান সৃষ্টি করত। এ আয়াতগুলো যখন তারা মহানবির (সা.) পবিত্র মুখে শুনত এবং মহানবির মধ্যে তারা প্রগাঢ় বিশ্বাস, দৃঢ়চিত্ততা ও প্রাণবন্ততা প্রত্যক্ষ করত। তাঁর দাওয়াতের মধ্যে অটল ঈমান ও ইখলাছের (চরম নিষ্ঠা) পরিচয় পেত ফলে তারা আল্লাহ ও তাঁর নবির ওপর ঈমান আনত। অধিকাংশ ক্ষেত্রে কেউ তাঁর কাছে যুক্তি ও দলীল-প্রমাণ চাইত না। বিশেষ কিছু সন্দেহপ্রবণ ব্যক্তি কেবল এমন প্রমাণ দেখানোর কথা বলত। অন্য সকল মানুষ দাওয়াতের বাণী শুনেই এর সত্যতাকে মেনে নিত। কারণ স্বয়ং দাওয়াতের বাণীর মধ্যেই এর সত্যতার প্রমাণ নিহিত ছিল।
আমাদের বর্তমান সময়ের দাওয়াতের অভিজ্ঞতাতেও আমরা এ বিষয়টি অনুভব করেছি। বিভিন্ন সময় এর প্রমাণ পেয়েছি। সত্যের দাওয়াতের মধ্যে বিশেষ আকর্ষণ রয়েছে। সত্যের বাণী সবাইকে আকৃষ্ট করে। যদিও জগতে আহ্বানকারী বাণীর সংখ্যা অগণিত এবং বিভিন্ন ধরনের চীৎকার ও হৈ-হুল্লোড়ে পৃথিবী ভরা। কিন্তু এর মধ্যে যা কিছু সত্য ও হক তার প্রতি বিশেষ আকর্ষণ রয়েছে। আমাদের সৌভাগ্য যে সমকালীন সময়ে ঐ সত্যের আহ্বান আমরা শুনতে পেরেছি। আমি যে সময়ের কথা বলছি তা ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের জন্মের পরের কথা বলছি না। বরং ইসলামি প্রজাতন্ত্র সৃষ্টির আগের কথা বলছি। (কারণ,) ঐ আহ্বানের বাণী শুনেই আমরা আলোকিত পথের সন্ধান পেয়েছি এবং আজকে বর্তমান অবস্থায় পৌঁছেছি। ঐ আহ্বান কোথায় থেকে উচ্চারিত হয়েছিল? যখন এ বিপ্লবী বাণী এ জাতির নেতার বলিষ্ঠ কণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছিল, তখন রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদপত্রসহ দেশী-বিদেশী সব প্রচার মাধ্যম ভিন্ন কথা বলছিল। এমনকি অনেক ধর্মীয় ব্যক্তিবর্গও মিম্বারে বসে অন্য কিছু বলছিলেন। তারা সকলেই তাদের বিভিন্নরূপ বাণীর মাধ্যমে নিজেদের দিকে আহ্বান করছিল। কিন্তু এতসব চীৎকার ও আহ্বানের মধ্যেও ঐ আহ্বানটির বিশেষ আকর্ষণ ছিল এবং তা মানুষকে নিজের দিকে আকৃষ্ট করত।
ইসলামের প্রথম যুগে যখন মহানবির (সা.) ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ -এ আহ্বান উচ্চারিত হয়েছিল, তখন কোন পরিচ্ছন্ন ও স্বচ্ছ হৃদয়ই বলে নি যে, কেন ও কোন যুক্তিতে আমরা বলব ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’? বরং যখন তারা নিজেদের অন্তরের অন্তঃস্থলের দিকে তাকিয়েছে আশ্চর্যজনকভাবে লক্ষ্য করেছে যে, তাদের অন্তরও এ কথাই বলছে। তাদের বিবেকও বলছে: ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই, এ কথাই সত্য। এসব মূর্তি ও প্রতিমাগুলো সবই অসার। এগুলো সবই মিথ্যা, অলীক ও অবাস্তব। লক্ষ্য করে দেখুন কুরআনের একটি অংশ এমন যে, শোনা মাত্র তার মধ্যে বিশ্বাসের জন্ম দেয়। যেমন, কিয়ামতের প্রমাণবাহী আয়াতগুলো যাতে বলা হয়েছে, “তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে একটি এই যে, তুমি ভূমিকে শুষ্ক ও তৃণহীন দেখে থাক, অতঃপর আমি যখন তাতে বারি বর্ষণ করি তখন তা আন্দোলিত (সতেজ) ও বিকশিত (শস্য-শ্যামল) হয়ে ওঠে; যিনি একে (মৃত ভূমিকে) সজীব করেন (অর্থাৎ সেই আল্লাহ যিনি মৃত ও প্রাণহীন এক ভূমিকে জীবন্ত ও প্রাণবন্ত করেন) তিনি অবশ্যই মৃতদেরকেও জীবিত করবেন; নিশ্চয়ই তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।” অথবা এ আয়াতটি “হে মানবজাতি! যদি তোমরা পুনরুত্থান সম্বন্ধে সংশয়ী হও, তবে (অনুধাবন কর) আমরা তোমাদের প্রথমে মাটি হতে সৃষ্টি করেছি, পরে সঞ্চারণশীল সামান্য এক পানি (শুক্র) হতে, তারপর ঝুলন্ত এক বস্তু (ঘনীভূত রক্ত) হতে, …এবং তুমি ভূমিকে মৃতবৎ দেখে থাক, অতঃপর যখন আমরা তার ওপর বারি বর্ষণ করি তখন তা আন্দোলিত ও বর্ধিত হতে থাকে এবং সর্ব প্রকারের দৃষ্টিনন্দন (উদ্ভিদ) উদ্গত করে।”
অতঃপর আল্লাহ বলছেন যে, তিনি মৃতভূমিকে জীবিত করার ন্যায় মৃতদের জীবিত করবেন। যে স্রষ্টা মানুষদের প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন তিনি আবার তাকে সৃষ্টি করতে সক্ষম। কিংবা মহান আল্লাহ তাওহীদ ও একত্ববাদের পক্ষে প্রমাণ উপস্থাপন করতে গিয়ে বলেন, “যদি বিশ্বজগতে দুই বা অধিক উপাস্য থাকত এবং দুই বা কতক ভিন্ন ভিন্ন মহাশক্তিমান পরিচালকের দ্বারা পরিচালিত হত তবে এ একক সৃশৃঙ্খল ব্যবস্থা বিরাজমান থাকত না।” কারণ আমরা দেখছি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে কেবল একটি সুসামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যবস্থাই কার্যকর। সবকিছু তার সঠিক স্থানে রয়েছে। যদি এ একক ব্যবস্থার পরিচালক একজন না হত তবে এ বিশ্বজগতে বিরাজমান সীমাহীন অগণিত নিয়মগুলো পরস্পর সমন্বিতভাবে এতটা নিখুঁতরূপে কাজ করতে পারত না। (ফলে তা ধ্বংস হয়ে যেত।) এ আয়াতগুলো মানুষের মনে ঈমানকে সুদৃঢ় করে। যে আয়াতগুলো বিভিন্ন যুক্তির মাধ্যমে মানুষকে মহান আল্লাহর অস্তিত্ব, তাওহীদ, নবুয়ত, কিয়ামতসহ দ্বীনের মৌলিক বিশ্বাসের দিকে আহ্বান করছে; পবিত্র কুরআন ও অন্যান্য ঐশী গ্রন্থসমূহের একাংশ এ বিষয়গুলো নিয়েই আলোচনা করেছে।
তিন- সতর্ককারী ও ভীতি প্রদর্শনকারী আয়াতসমূহ
পবিত্র কুরআনের একাংশ আয়াত হল সতর্ককারী। অর্থাৎ মানুষকে সতর্ক ও ভীতি প্রদর্শন করে। মানুষের প্রকৃতি এমন যে, যখন কোন এক পথে চলে তার প্রবৃত্তি ও কামনা-বাসনা তাকে অন্যদিকে আকর্ষণ করে। পৃথিবীতে অসংখ্য (বাহ্যিকভাবে) চাকচিক্যময় ও আকর্ষণীয় বস্তু রয়েছে যা মানুষকে তার সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করতে পারে। তাই এক সতর্ককারী নির্দেশক বা ভীতিপ্রদর্শনকারী বাণী মানুষের সামনে থাকা প্রয়োজন। এরূপ সতর্ককারী নির্দেশক মানুষের জন্য উপকারী। তবে এ সতর্ককারী ও ভীতিপ্রদর্শনকারী শত্রু বা প্রতিশোধকামী কেউ নয় (বরং শুভাকাক্সক্ষী)। যেমন এক শিক্ষক যিনি অমনোযোগী এক ছাত্রকে বলছেন, ‘তোমার মনোযোগ কোথায়?’ কিংবা পুরোনো দিনের মত কোন শিক্ষক অমনোযোগী ছাত্রের দিকে হাতের চক ছুঁড়ে মেরে বা তার কাছে উপস্থিত হয়ে তাকে সতর্ক করতেন। অথবা ধরুন ছাত্রকে এমন কিছু বলতেন যাতে সে সজাগ হয় বা তাকে অন্য কোন ভাবে ভয় দেখাতেন (যেমন তাকে হয়তো বলতেন তোমার পিতা-মাতা বা অভিভাবককে জানিয়ে দিব)। এ ধরনের ভীতিপ্রদর্শন কখনই শত্রুতার বশে বা প্রতিশোধ স্পৃহার কারণে নয়। যেমন এক স্নেহময় পিতা যখন তার সন্তানকে কোন মন্দ কর্ম করতে দেখে তাকে ধমক বা বকুনি দেয়। অথবা কোন নার্সের মত যখন দেখে যে রোগী বিছানা থেকে উঠে গ্লাস নিয়ে পানি খেতে উদ্যত হয়েছে, অথচ ঐ রোগীর জন্য পানি খাওয়া নিষিদ্ধ, তখন সে চীৎকার করে তাকে নিবৃত্ত করে। কিংবা যখন কোন চিকিৎসক দেখেন তার রোগী তার কথা না শুনে নিষিদ্ধ খাবার খেয়ে যাচ্ছে, তখন তিনি রোগীর ওপর ক্রোধান্বিত হয়ে চীৎকার দিয়ে ওঠেন। যখন কোন রোগীর হাত, পা বা অন্য কোন অঙ্গে শল্য চিকিৎসক অপারেশন করছেন আর রোগী সে অঙ্গটি নাড়ায় তখন ঐ চিকিৎসক যখন রোগীকে ধমক দেয় এটা তার জন্য কল্যাণকর। এটা মন্দ কোন কাজ নয়। মহানবি (সা.) কখনও কখনও কোন কোন সাহাবীর ওপর ক্রোধান্বিত হতেন ও তার প্রতি কঠোর হতেন। কারণ হেদায়েতের পথে নম্র আচরণ, কঠোরতা, স্নেহ, আদর, তিরস্কার, ধমক সবই আছে। পবিত্র কুরআনের ভীতিপ্রদর্শন ও সতর্ককরণ একরকম ধমক। এ ধমক এজন্য যে, যখন মানুষ প্রবৃত্তির কামনা-বাসনা প্রবল হওয়া অথবা অমনোযোগ ও উদাসীনতার কারণে কোন ভুল কাজে উদ্যত হয় তখন ভীতি প্রদর্শন ও সতর্ককরণের মাধ্যমে তাকে সচেতন করা হয়।
মানুষের অবস্থা (দশা) কখনও কখনও শিকারী বাজপাখির হাতে বন্দী চড়ুই পাখির মত হয়ে পড়ে। প্রবৃত্তির কামনার কোন যুক্তি নেই। প্রবৃত্তি মানুষকে তীব্রভাবে আকর্ষণ করে, তার যুক্তির কোন বালাই নেই। যখন মানুষের কামনা-বাসনা প্রবল হয় এর বিপরীতে সে কোন যুক্তি মানে না। এমন নয় যে, তাকে বোঝালেই সে বুঝবে। কারণ প্রবৃত্তি তার গলায় শক্ত বেড়ি (দড়ি) ও শৃঙ্খল পরিয়ে দিয়েছে তাই এমন এক শক্তিশালী ক্রেনের প্রয়োজন যা তাকে টেনে (ঐ শেকল ভেঙ্গে ও দড়ি ছিঁড়ে) ওখান থেকে বের করে নিয়ে আসবে। ঐ ক্রেন হল নবিদের ভীতিপ্রদর্শন ও সতর্ককারী আহ্বান। তাঁরা যে চীৎকার করে মানুষকে ভয়ংকর এক পরিণতির থেকে সতর্ক করেন তা হল এমনই এক প্রতিবন্ধক। فَٱتَّقُواْ ٱلنَّارَ ٱلَّتِى وَقُودُهَا ٱلنَّاسُ وَٱلْحِجَارَةُ ‘(হে প্রবৃত্তিপূজারী মানুষ, হে মানবজাতি যারা প্রবৃত্তির হাতের পুতুলে পরিণত হয়েছ) ঐ আগুন থেকে নিজেকে রক্ষা কর যার ইন্ধন হল মানুষ ও পাথর।’ এ রকম সতর্কবাণী যখন উচ্চারিত হয় তখন হঠাৎ মানুষের সম্বিত ফিরে যে, হায়! তবে এমন এক ভয়ঙ্কর আগুনও রয়েছে যার ইন্ধন হল মানুষ। তার অন্তরাত্মা কেঁপে ওঠে যে, কাঠের জ্বালানীর স্থলে আমি কি জাহান্নামের ইন্ধন হতে চলেছি? আপনারা পবিত্র কুরআনে এরূপ ভীতিপ্রদর্শনের অনেক নমূনা দেখবেন। তাই নবিদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী। فَبَعَثَ ٱللَّهُ ٱلنَّبِيِّينَ مُبَشِّرِينَ وَمُنذِرِينَ “আল্লাহ নবিদের সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছেন।” সুতরাং পবিত্র কুরআন, তাওরাত ও ইঞ্জিলসহ সকল ঐশী গ্রন্থের একাংশ হল সতর্ককারী ও ভীতিপ্রদর্শনকারী।
চার- শিক্ষামূলক ঘটনা (শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত)
যে কোন ঐশী গ্রন্থের অপর একটি অংশ হল শিক্ষামূলক। যদিও মানুষের সামনে কোন দলীল প্রমাণ উপস্থাপিত হয় নি যে, ইতিহাস সব সময় একই ধারায় চলছে। কিন্তু মানুষ স্বাভাবিকভাবেই লক্ষ্য করে যে, ইতিহাসের গতিধারা একই। প্রকৃতপক্ষে বাস্তবতাও তা-ই। ইতিহাস একই নিয়মের অধীনে চলছে- এ কথাটি সত্য। পবিত্র কুরআনও এ বিষয়টিকে সত্যায়ন করেছে এবং এর সাক্ষ্যদান করছে। যদি কাউকে বলা হয় অমুক ব্যক্তি তোমার অনুরূপ অবস্থায় পড়েছিল ও দুর্ভাগা হয়েছে। সে এ কথা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। কারণ তার মধ্যে হঠাৎ এ চিন্তার সৃষ্টি হবে যে, তবে কি আমিও তার পরিণতি বরণ করতে যাচ্ছি? এরূপ ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে (মনের অজান্তেই) সে ঐরূপ (ইতিহাসে উল্লিখিত) ব্যক্তির সাথে নিজের এক তুলনা করে। ঠিক যেভাবে বাস্তব জীবনে সে অন্যদেরকে নিজের সাথে তুলনা করে থাকে। এক্ষেত্রেও সে সেরূপ করে। ঐশী গ্রন্থগুলোয় আলোচিত বিষয়গুলোর একাংশ হল বিভিন্ন জাতির ইতিহাস। তাদের জীবনধারা ও উত্থান পতনের বর্ণনা দেয়া হয় যাতে মানুষ তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে।
আমাদের এ পৃথিবীতে দুই জীবন নেই। তাই এটা তো সম্ভব নয় যে আমরা এক জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আরেক জীবনে ভুল-ত্রুটি থেকে বেঁচে থাকব। এক জীবনে এমন হওয়া সম্ভব যে, এক পথে সে চলছে আর বারবার তার পথে সে কোন পাথরে হোঁচট খাচ্ছে আর সে বারবার পড়ে যাচ্ছে। এরপর সে অভিজ্ঞতা লাভ করল ও সিদ্ধান্ত নিল যদি ঐরূপ পাথরের মুখোমুখি হয় তবে কিভাবে চললে আর তাতে হোঁচট খাবে না। কিন্তু যদি এ পথে হাজার হাজার বিভিন্ন ধরনের পাথর থাকে তবে তার পক্ষে কিভাবে এক জীবনে এতসব প্রতিবন্ধক অতিক্রম করার শিক্ষা নেয়া সম্ভব? এভাবে শিক্ষা নিতে গেলে কিছু দিনের মধ্যেই তার জীবন অতিষ্ঠ হয়ে যাবে। কোন কোন সময় আরেকবার আগের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগই আসবে না তার আগেই শেষ। এজন্যই মানুষকে বলা বলা হয় যে, অন্যদের জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণ কর। সে যে এক জীবনে অভিজ্ঞতা অর্জন করে আরেক জীবনে তার প্রয়োগ করবে তার সুযোগ না থাকলেও এ সুযোগ রয়েছে যে, তার পথের জন্য প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতাগুলো অন্যরা পূর্বে অর্জন করেছে, তারা এ পর্যায়গুলো অতিক্রম করেছে। এ কারণে তাদের সফলতা ও ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নাও। তাই কবি শেখ সাদী তার গুলিস্তান কাব্যগ্রন্থে বলেছেন:
‘বুদ্ধিমান ব্যক্তির যোগ্যতার প্রমাণ হল এটাই
দুই জীবনের সঞ্চয় তার হাতে রয়েছে,
একজন তার অভিজ্ঞতাকে (উত্তরাধিকারস্বরূপ) রেখে গিয়েছে
অন্যজন তার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েছে।’
মোটকথা, আমি এক জীবনে যে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করব আমার পূর্বে অন্যরা সে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। আমি অন্যদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাবো। এটা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ও বিষয়। তাই সকল আসমানী কিতাবে পূর্ববর্তী জাতিসমূহের ইতিহাস বর্ণিত হয়েছে। আমাদের প্রিয় মহাগ্রন্থ কুরআনেও আপনারা দেখবেন, আদ জাতি, ছামুদ জাতি, হযরত নূহ, মূসা ও ঈসার (আলাইহিমুস সালামে’র) জাতি এবং অন্যান্য অনেক জাতির বৈশিষ্ট্য ও তাদের নিয়তি ও পরিণতি বর্ণিত হয়েছে। তাদের জীবন ও ইতিহাসের মধ্যে আমাদের জন্য কল্যাণকর যা কিছু রয়েছে তার সবই কুরআন বর্ণনা করেছে।
অবশ্য আমাদের দায়িত্ব হল তা থেকে শিক্ষা নেয়া। প্রিয় ভাইয়েরা! আমাদের এসব ঘটনা থেকে শিক্ষা নেয়া খুবই প্রয়োজন। আমরা বর্তমানে যে ইসলামি জীবনের অভিজ্ঞতা লাভ করছি, এ বিষয়ে আমরা খুবই কাঁচা। আমাদের অভিজ্ঞতা খুবই অপ্রতুল। মুসলমানদের জীবনে কয়েকশ’ শতাব্দী অতিক্রান্ত হয়েছে কিন্তু ইসলামি জীবনের অভিজ্ঞতা আমাদের ছিল না। কারণ সব সময় জালেম ও স্বৈরাচারী শাসকরা আমাদের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল। তাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো মন্দের ভালো ছিল যেমন: সুলতান মাহমুদ গজনী (গাজনাভি)। তাদের ভালো দিক শুধু এটা ছিল যে, তারা আল্লাহর পথে জিহাদ করেছেন। তাদের জিহাদের ধরণ ছিল এমন যে, পৃথিবীর কোন এক অঞ্চলে হামলা চালাতেন ও লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন তছনছ করতেন, তাদের একদলকে হত্যা করতেন এবং তাদের জীবনের সব সঞ্চয়কে গনিমত হিসেবে (লুটপাট করে) নিয়ে আসতেন। এটা হল তাদের মধ্যে যে অপেক্ষাকৃত কম অন্যায় করেছে তার অবস্থা। এখন আপনারা বিবেচনা করে দেখুন মুসলিম জাতির ওপর শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে কিরূপ শোচনীয় অবস্থা অতিক্রান্ত হয়েছে। এখন আমরা দীর্ঘ এক সময় পর হযরত মূসা (আ.), সুলাইমান (আ.) ও মহানবির (সা.) শাসনের মত শাসনের অভিজ্ঞতা লাভের সংকল্প করেছি। এ কাজটা কতটা কঠিন?! আপনারা জানেন এ কাজটা কিরূপ কঠিন। আমরা চাই হযরত ঈসা, হযরত মূসা, মহানবি (সা.) ও হযরত আলীর (আ.) হুকুমত ও শাসনের মত শাসনব্যবস্থার অভিজ্ঞতা লাভ করতে। এ কাজটি খুবই কঠিন। তাই আমাদের চোখ-কান খোলা রাখা ও খুবই সজাগ থাকা প্রয়োজন। শুধু শাসকগোষ্ঠী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারাই নয়, বরং এ দেশের প্রতিটি নাগরিকের এক্ষেত্রে সচেতন থাকা উচিত। এজন্যই আমি সব সময় ভাই-বোনদের এ বিষয়ে উপদেশ দিয়ে থাকি। এখন আপনাদেরকেও বলছি। আপনারা পবিত্র কুরআনের সাথে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক স্থাপন করুন। কুরআনকে সহিহ শুদ্ধভাবে পাঠ করা শিখুন। এর অর্থ শিখুন। কুরআনের তাফসির শিখা সহজ কোন কাজ নয়। তবে শুধু যদি আপনারা কুরআনের অর্থ ও অনুবাদও জানেন তাতেও অনেক কিছু শিখতে পারবেন। কুরআনের একটি ভালো অনুবাদ হাতে নিন। এতে পূর্ববর্তী জাতিসমূহের বিভিন্ন বিবরণ ও তাদের যে বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণিত হয়েছে তা পড়ুন ও সেগুলো থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুন। অবশ্য যে বিষয়গুলোর বিবরণ কুরআনে এসেছে তার থেকে অধিক সংখ্যক শিক্ষণীয় বিষয়গুলো নাহজুল বালাগা এবং পবিত্র ইমামগণের (আ.) থেকে বর্ণিত অসংখ্য হাদীসে উল্লিখিত হয়েছে।
সুতরাং কুরআনসহ সব আসমানী কিতাবের একটি অংশ হল শিক্ষণীয় ঘটনা। যেমন, অমুক জাতি এ কাজগুলো করেছে ফলে তারা সম্মানজনক নেতৃত্বের আসনে সমাসীন হয়েছে। অমুক জাতি এমন মন্দ কাজ করেছে, ফলে তারা দুর্বল হয়ে পড়েছে ও লাঞ্ছনার শিকার হয়েছে। অবশেষে পরাজিত ও ধ্বংসের মুখে পতিত হয়েছে। কুরআনে নূহের (আ.) জাতি, লুতের (আ.) জাতি, ফেরাউনের জাতিসহ বিভিন্ন জাতির কথা এসেছে যারা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। তেমনি এমন জাতির কথাও এসেছে যারা (আল্লাহর নির্দেশ ও বিধিবিধানের প্রতি) অমনোযোগী ও বেপরোয়া হওয়ার কারণে আল্লাহর গজব ও ক্রোধের শিকার হয়েছে। যেমন, বনি ইসরাঈল। মানবজাতির ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে এরকম বিভিন্ন জাতি ছিল। আবার এই বনি ইসরাঈলই এক সময় হযরত দাউদ (আ.) ও সুলাইমানের (আ.) সময় আল্লাহর প্রতি অনুগত হওয়ার কারণে ক্ষমতার অধিকারী হয়েছিল। এগুলোও কুরআনে এসেছে। সব নবিই হযরত যাকারিয়ার (আ.) মত করাত দিয়ে দ্বিখণ্ডিত হন নি। বরং কোন কোন সময় হযরত সুলাইমানের মত শাসকও ক্ষমতা লাভ করেছেন সমগ্র বিশ্ব যার পদানত ছিল। সূরা মায়িদায় হযরত মূসা (আ.) বনি ইসরাঈলকে উদ্দেশ্য করে বলছেন:
إِذْ جَعَلَ فِيكُمْ أَنْبِيَآءَ وَجَعَلَكُمْ مُّلُوكا
‘(স্মরণ কর, ঐ সময়কে) যখন তিনি (আল্লাহ) তোমাদের মধ্য থেকে নবীদের মনোনীত করেছেন ও তোমাদের রাজত্ব দান করেছেন।’ এ আয়াতাংশ থেকে স্পষ্ট যে, বনি ইসরাঈলের অনেক নবি ও মহান ব্যক্তি শাসন ক্ষমতা লাভ করেছিলেন। সুতরাং সব ধরনের (ভালো-মন্দ, মর্যাদা-লাঞ্ছনা) শিক্ষণীয় ঘটনার বিবরণ রয়েছে। পবিত্র কুরআনের একাংশ এরূপ শিক্ষণীয় বিষয় নিয়েই।
পাঁচ- নসিহত ও উপদেশমূলক বাণী
ঐশী কিতাবসমূহের একাংশে থাকে উপদেশমূলক বাণী ও কথা। উপদেশ ও কল্যাণমূলক বাণী মানুষের মনকে কোমল করে। কারণ মানুষের হৃদয় কল্যাণকর কথা ও সদুপদেশ গ্রহণের উপযোগী। কোন কোন সময় মানুষ এ প্রতীক্ষায় ধাকে যে, তাকে কেউ কোন ভালো কাজ করতে বলুক। তবে তা নির্দেশের ভঙ্গিতে নয়। বিশেষত যেসব লোকের মানুষের সাথে সবসময় বিভিন্ন কাজ থাকে। যেমন, আলেম সমাজ, পুলিশ, সেনাবাহিনীর সদস্য। অন্যান্য ব্যক্তিও যারা সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত তাদের ক্ষেত্রেও এরকম। আপনাদের জেনে রাখা ভালো যে, সবক্ষেত্রে প্রয়োজন নেই যে, যুক্তি-প্রমাণ উপস্থাপন করে ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ করতে হবে বা আইন পালনের জন্য জোর-জবরদস্তি করতে হবে। বরং উপদেশ দান ও কল্যাণমূলক কথাই যথেষ্ট। আলহামদুলিল্লাহ আমাদের দেশের জনগণ সব কিছুতেই অগ্রগামী। তারা নিজেরাই আইনকানুন মেনে চলেন। এমনকি যারা মেনে চলেন না তাদের ক্ষেত্রেও বাধ্য করার প্রয়োজন নেই। কোন কোন সময় উপদেশ দিয়ে এতটুকু বলাই যথেষ্ট যে, প্রিয় ভাই, প্রিয় বন্ধু! এটা করুন তা কল্যাণকর। দেখা যাবে এটাতেই কাজ হবে।
নবিগণ ও ঐশী শিক্ষকদের মধ্যে প্রচলিত অন্যতম ভাষা হল উপদেশ ও নসিহত। এ ভাষাকে ভুলে গেলে চলবে না। কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেখা যায় নসিহত ও উপদেশের যে সূক্ষ্ম ও নমনীয় ভাষা আছে তা ব্যবহার করা হয় না। মানুষের অন্তর নসিহত ও উপদেশ শোনার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে। বিশেষত মু’মিন প্রতীক্ষায় থাকে একজন নির্ভরযোগ্য মানুষ তাকে উপদেশ দিক, নসিহত করুক। এটা কত সুন্দর যে, যে মানুষের প্রতি সকলের আস্থা রয়েছে তিনি উপদেশ দিবেন। পবিত্র কুরআনের একাংশ হল মানুষের জন্য উপযুক্ত ও অতি প্রয়োজনীয় সব নসিহত ও উপদেশ।
ছয়- মানুষকে চিন্তায় প্রবৃত্ত করা
মোটকথা, আসমানী কিতাবসমূহে কযেকটি অংশ রয়েছে, যথা: একাংশ হল ব্যবহারিক আমল বা কর্ম বিষয়ক, একাংশ যুক্তি-প্রমাণ, একাংশ ঈমান সংক্রান্ত, আবার একটি অংশ রয়েছে যা বিভিন্ন ধরনের যুক্তি-প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে সত্যকে অনুধাবনের জন্য মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি ও চিন্তাশক্তিকে সক্রিয় করে। যেমন,
إِنَّ فِى خَلْقِ ٱلسَّمَاوَاتِ وَٱلأَرْضِ وَٱخْتِلاَفِ ٱلْلَّيْلِ وَٱلنَّهَارِ لَـاۤيَاتٍ لِّـأُوْلِى ٱلأَلْبَابِ
“নিশ্চয়ই আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিতে এবং রাত ও দিনের আবর্তনে বুদ্ধিসম্পন্নদের জন্য (আল্লাহর ক্ষমতার) বহু নিদর্শন রয়েছে।” লক্ষ্য করুন, এ আয়াতটি মানুষকে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর দিকে গভীরভাবে মনোনিবেশ ও তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করার আহ্বান জানাচ্ছে। আমি ইতিপূর্বেও অনেকবার বলেছি ঐশী গ্রন্থসমূহ, নবিগণ এবং বিশেষত কুরআন মানবজাতির ওপর যে মহাকরুণা করেছে ও তাদেরকে যে মহাঅনুগ্রহ দিয়েছে তা অন্য কোন করুণা ও অনুগ্রহের সাথে তুলনীয় নয়, সেগুলোর অনেক ঊর্ধে। আর তা হল মানবজাতিকে এমন সব বিষয়ে কৌতুহলী করেছে ও চিন্তা-গবেষণা করতে উদ্যত করেছে যা Ñখুবই গুরুত্বপূর্ণ ও অত্যন্ত আশ্চর্যজনক কিন্তুÑ প্রতিনিয়ত মানুষের চোখের সামনে সংঘটিত হওয়ার কারণে তার জন্য সাধারণ ও স্বাভাবিক একটি বিষয়ে পরিণত হয়েছে। ফলে তারা এগুলো নিয়ে চিন্তা করার প্রয়োজনই মনে করে না। যেহেতু এ বিষয়গুলো তাদের মনে বিস্ময়ের উদ্রেক করে না, কোন কৌতুহলের সৃষ্টি করে না। প্রতিদিন রাত আসে, দিন আসে, সূর্য উদিত হয়, চাঁদ ওঠে, এক সময় শীত আসে, আবার গরমকাল আসে। যেহেতু তারা এগুলোকে সাধারণ বিষয় বলে গণ্য করে এ ঘটনাগুলোর অভ্যন্তরে যে কত সূক্ষ্ম ব্যবস্থা কাজ করছে তার প্রতি মনোযোগ দেয়ার প্রয়োজন মনে করে না। এর পেছনে যে গভীর প্রজ্ঞা ও চিন্তাশক্তির ভূমিকা রয়েছে তা ভাবে না।
যদি মানুষের মধ্যে এসব বিষয় নিয়ে প্রশ্ন জাগত তবে তারা এর অন্তর্নিহিত কারণ নিয়ে গবেষণা করত। আপনারা চিন্তা করুন এই বিজ্ঞানী, উদ্ভাবক ও গবেষকরা যদি বিভিন্ন প্রাকৃতিক ঘটনার প্রতি স্পর্শকাতর না হতেন এবং এগুলো নিয়ে তাদের মনে প্রশ্নের সৃষ্টি না হত তবে কোন কিছুই আবিষ্কার হত না। যেমন, সারা পৃথিবীর মানুষই দেখে যে, যে কোন বস্তুকে ছেড়ে দিলে তা মাটিতে পড়ে যায়। আপেল গাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হলে মাটিতে পড়ে। এটা সবার কাছে স্বাভাবিক একটি বিষয়। কিন্তু একজন চিন্তাশীল মনীষী ও বিজ্ঞানী নিউটন এ বিষয়টিকে নিয়ে চিন্তা শুরু করলেন যে, কেন এটা মাটিতে পড়ল। চিন্তা গবেষণা করে বের করলেন অভিকর্ষ বল ও মধ্যাকর্ষণের ফলে এটা ঘটে। তিনি এটা আবিষ্কারের কারণে এর সাথে সম্পর্কিত অসংখ্য বিষয় নিয়ে গবেষণা হয় ও বিজ্ঞানের অনেক নতুন নতুন বিষয় উদ্ভাবন হয়েছে। কিভাবে মানবজাতি বিজ্ঞানের অগ্রগতির এ বিশেষ ক্ষেত্রে প্রবেশ করল? যার শুরু হল এক ব্যক্তির চিন্তায় এক যুগান্তকারী প্রশ্নের সৃষ্টি।
নবিরা অনেক বিষয়ে মানুষের মনে প্রশ্নের সৃষ্টি করেন। যেমন কুরআন বলছে:
أَفَلَا يَنظُرُونَ إِلَى الْإِبِلِ كَيْفَ خُلِقَتْ
“তারা কি উটের দিকে লক্ষ্য করে না যে, কীভাবে তা সৃষ্টি করা হয়েছে?” আরবরা সবসময় উট দেখত। তাদের জন্য এটা এক সাধারণ বিষয়। তাদের উদ্দেশ্য করে বলা হচ্ছে: তোমরা উটের প্রতি লক্ষ্য করে দেখ না যে, কিভাবে তা সৃষ্টি হয়েছে? হঠাৎ তখন মানুষ চিন্তায় রত হল। আসলেই তো আশ্চর্য। এর দেহ এ রকম উঁচু, এর গলা এ রকম লম্বা, এভাবে সে বসে, তার গতিবিধি এরূপ, এ কিভাবে মরুভূমিতে পিপাসাকে প্রতিরোধ করে? আকস্মিকভাবে তাদের মনে অনেক প্রশ্নের জন্ম হল। তারপর কুরআন বলছে:
وَإِلَى السَّمَاء كَيْفَ رُفِعَتْ
“আর আকাশের দিকে (লক্ষ্য কর), কীভাবে তা সুউচ্চ করা হয়েছে?” তাহলে আমাদের মাথার ওপর এ আকাশ কী? (বিস্ময়কর এক আকাশ তাও সৃষ্ট) এভাবে প্রশ্নের মাধ্যমে চিন্তার উদ্রেক করা হয়েছে। পরবর্তী আয়াতে বলা হচ্ছে,
وَإِلَى الْجِبَالِ كَيْفَ نُصِبَتْ
“এবং পর্বতমালার দিকে (লক্ষ্য কর), কীভাবে তা সংস্থাপিত হয়েছে?” এ পাহাড়গুলো কীভাবে স্থিত রয়েছে? যেহেতু মানুষের জন্য পাহাড়-পর্বত, আকাশ, পৃথিবী, সূর্য সবই স্বাভাবিক বিষয় বলে প্রতীয়মান। তাই তার মধ্যে এগুলোর ব্যাপারে কোন প্রশ্নের সৃষ্টি হয় না। কারণ তারা প্রতিদিন এগুলো দেখছে। কিন্তু নবিরা স্বাভাবিক বলে গণ্য এসব বিষয়ের পেছনে যে গভীর চিন্তার উপাদান রয়েছে মানবজাতিকে সে সম্পর্কে সচেতন করেন। সুতরাং নবিদের সবচেয়ে বড় অবদান হল তাঁরা মানুষের মনে চিন্তা করার প্রবণতাকে জাগ্রত করেছেন। পবিত্র কুরআনে কতবার বলা হয়েছে: لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ ‘হয়তো তোমরা চিন্তাভাবনা করবে।’ অথবা বলা হয়েছে: لِقَوْمٍ يَفْقَهُونَ ‘গভীরভাবে অনুধাবনকারী সম্প্রদায়ের জন্য।’ اَفَلَمْ يَدَّبَّرُوا الْقَولَ ‘তারা কি এ বাণী নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করে না?’ পবিত্র কুরআনে এ ধরনের বাক্য অনেক রয়েছে যা আমাদের বিচারবুদ্ধি প্রয়োগে উৎসাহিত ও উদ্বুদ্ধ করে। সুতরাং পবিত্র কুরআনে যেমন এরূপ চিন্তায় উদ্যতকারী বাণী রয়েছে, ইহুদিদের ওপর অবতীর্ণ তাওরাতেও তা ছিল। তবে নিঃসন্দেহে কুরআন তাওরাত থেকে অনেক পূর্ণ (এবং বিকৃতিমুক্ত)। সুতরাং সার্বিকভাবে বিভিন্ন অংশ নিয়ে গঠিত হওয়ার দৃষ্টিতে সব ঐশী গ্রন্থ একই রকম। তাওরাত এর ব্যতিক্রম নয়।

আরও খবর

হজ : মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের প্রতীক

ইরানের হামলা ছিল অনেক ‘নিখুঁত ও ব্যাপক’, ক্ষতিগ্রস্ত হয় ২০ মার্কিন সামরিক স্থাপনা

শোক ভুলে মার্কিন মুসলিমদের ইসলামোফোবিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধের আহ্বান

সূরা জুমুআ’র তাফসীর থেকে নেয়া।

Previous Post

সারাকিয়েহ : ইরানের ছোট ভেনিস

Next Post

মালিক আশতার: ইসলামের ইতিহাসে এক অদম্য সেনানায়ক

এ জাতীয়আরও খবর

হজ : মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের প্রতীক
খবর

হজ : মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের প্রতীক

June 2, 2026
ইরানের হামলা ছিল অনেক ‘নিখুঁত ও ব্যাপক’, ক্ষতিগ্রস্ত হয় ২০ মার্কিন সামরিক স্থাপনা
আন্তর্জাতিক

ইরানের হামলা ছিল অনেক ‘নিখুঁত ও ব্যাপক’, ক্ষতিগ্রস্ত হয় ২০ মার্কিন সামরিক স্থাপনা

June 2, 2026
শোক ভুলে মার্কিন মুসলিমদের ইসলামোফোবিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধের আহ্বান
আন্তর্জাতিক

শোক ভুলে মার্কিন মুসলিমদের ইসলামোফোবিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধের আহ্বান

May 25, 2026
যুদ্ধের ময়দানে এআই ব্যবহারের বিরুদ্ধে পোপের কঠোর হুঁশিয়ারি
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধের ময়দানে এআই ব্যবহারের বিরুদ্ধে পোপের কঠোর হুঁশিয়ারি

May 25, 2026
ইরানের প্রস্তাব মেনে নিতে ট্রাম্পকে অনুরোধ আরব নেতাদের
আন্তর্জাতিক

ইরানের প্রস্তাব মেনে নিতে ট্রাম্পকে অনুরোধ আরব নেতাদের

May 25, 2026
ইরানে শহীদ ইমাম খামেনেয়ীর বাংলায় অনূদিত গ্রন্থাবলীর মোড়ক উন্মোচন
খবর

ইরানে শহীদ ইমাম খামেনেয়ীর বাংলায় অনূদিত গ্রন্থাবলীর মোড়ক উন্মোচন

May 24, 2026
Next Post
মালিক আশতার: ইসলামের ইতিহাসে এক অদম্য সেনানায়ক

মালিক আশতার: ইসলামের ইতিহাসে এক অদম্য সেনানায়ক

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Archives

  • June 2026
  • May 2026
  • April 2026
  • March 2026
  • February 2026
  • January 2026
  • December 2025
  • September 2025

Recent News

হজ : মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের প্রতীক

হজ : মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের প্রতীক

June 2, 2026
ইরানের হামলা ছিল অনেক ‘নিখুঁত ও ব্যাপক’, ক্ষতিগ্রস্ত হয় ২০ মার্কিন সামরিক স্থাপনা

ইরানের হামলা ছিল অনেক ‘নিখুঁত ও ব্যাপক’, ক্ষতিগ্রস্ত হয় ২০ মার্কিন সামরিক স্থাপনা

June 2, 2026
  • About
  • Advertise
  • Privacy & Policy
  • Contact

© 2025 Muslimbd - Muslim News Theme by MuslimBD.

No Result
View All Result

© 2025 Muslimbd - Muslim News Theme by MuslimBD.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In