ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির শাহাদাতের চল্লিশতম দিন উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক স্মরণসভা ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকাস্থ ইরানের আল-মুস্তফা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধির কার্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) যৌথভাবে এ আয়োজন করে।
‘ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানে তত্ত্ব ও প্রয়োগ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জালিল রাহিমী জাহানাবাদী। বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক আমার দেশ’র সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান। সেমিনারে ‘মূল প্রবন্ধ’ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ।
মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আবু সায়েম। ইরানের আল-মুস্তফা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ প্রতিনিধি হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন শাহাবুদ্দিন মাশায়েখি রাদের সভাপতিত্বে সেমিনারে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাকসু’র সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব, দৃঢ় প্রত্যয়ী আরেফ ও মুক্তিকামী মানুষের নেতা। গত ৩ বছরেরও বেশি সময়ে তার যোগ্য ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান জ্ঞান-বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নজরকাড়া সাফল্য অর্জন করেছে। পরিচিতি লাভ করেছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শক্তিধর দেশ হিসেবে। সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে আমেরিকা ও ইসরাইলের চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধে ইরান যেভাবে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে এবং শত্রু পক্ষকে নাস্তানাবোধ করেছে তাতে শত্রুরাও হতবাক হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, ইরানের ইসলামী বিপ্লবের মহান নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর মহান নাতির মতোই শত্রুর মোকাবিলায় রুখে দাঁড়িয়েছেন এবং মহান শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করেছেন। মহান আল্লাহ কেবল নির্বাচিত ও বিশ্বস্ত বান্দাহদেরকেই শাহাদাতের মর্যাদা দান করেন। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এই খোদায়ি পুরস্কার লাভ করেছেন।
তারা বলেন, আয়াতুল্লাহ খামেনির পথ অনুসরণ করেই বর্তমান সর্বোচ্চ নেতার নেতৃত্বে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান শত্রুর সব পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দিতে সক্ষম হয়েছে।



























