ইরানের কুরআনিক সংস্কৃতি উন্নয়ন পরিষদের প্রধান সম্প্রতি কুরআন অবমাননার ঘটনায় ইয়েমেনের জনগণের তীব্র প্রতিক্রিয়াকে প্রশংসনীয় বলে বর্ণনা করেছেন। চলতি বছরের ডিসেম্বরের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে পবিত্র কুরআন অবমাননার ঘটনার প্রতিবাদে এবং ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন জানাতে ইয়েমেনজুড়ে মানুষ রাস্তায় নেমে আসে।
আরবি ভাষায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক বার্তায় হুজ্জাতুল ইসলাম মোহাম্মদ কোমি মার্কিন কংগ্রেসের একজন প্রার্থীর কুরআন অবমাননার পর ইয়েমেনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভের প্রশংসা করেছেন।
তিনি বলেন, “ধৈর্যশীল ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ইয়েমেনের জনগণের প্রতি আল্লাহর শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক—যারা নিজেদের বিশ্বাসের পক্ষে অটল থেকেছে এবং মুসলিম ঐতিহ্যকে সবার সামনে তুলে ধরেছে।” “কুরআন তোমাদের রক্ষক এবং সমর্থক। তোমরা তোমাদেরকে গর্ব ও সম্মানের সাথে ইতিহাসের সাথে সংযুক্ত করেছ। তোমাদের জন্য, কুরআন কেবল একটি গ্রন্থ নয়; এটি প্রতিরোধের শিরায় প্রবাহিত জীবনধারা।” “কুরআনের ওপর নির্ভর করেই ইয়েমেনের পাহাড় থেকে গাজা পর্যন্ত শত্রুকে হতাশ করা হয়েছে। ইয়েমেনিদের পথ অনুসরণ করে তিনি বলেন, “আমরাও তোমাদের পবিত্র ক্ষোভের সঙ্গে বলি—আমেরিকার মৃত্যু হোক, ইসরায়েলের মৃত্যু হোক।”
গত সপ্তাহে টেক্সাসের প্লানো শহরে এক জনসমাবেশে ফ্লোরিডার রিপাবলিকান সিনেট প্রার্থী জেক ল্যাং কুরআনের একটি কপি অপবিত্র করার পর নিন্দার ঝড় উঠে। মুসলিম সমাজ, মানবাধিকারকর্মী এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা ঘটনাটিকে ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি উসকানিমূলক অবমাননা হিসেবে বর্ণনা করেছে।
সাম্প্রতিক ইসলাম-বিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে মুসলিম বিশ্বে ক্রমবর্ধমান ক্ষোভের মধ্যে, এই সপ্তাহে ইয়েমেন জুড়ে মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পবিত্র কুরআন অবমাননার নিন্দা জানান এবং ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। ইকনা



























