ইরানের হজ ও জিয়ারত সংস্থার প্রধান আলিরেজা রাশিদিয়ান জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ৯ হাজার ৫০০ ইরানি হাজি পবিত্র ভূমিতে পৌঁছেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্ধারিত ৩০ হাজার হাজির সবাইকে পাঠানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
বার্তা সংস্থা ইকনা জানিয়েছে, রাশিদিয়ান বর্তমানে সংস্থায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার প্রতিনিধি হুজ্জাতুল ইসলাম সাইয়্যেদ আবদুল ফাত্তাহ নওয়াবের সঙ্গে মদিনায় অবস্থান করছেন। তিনি শাজারা মসজিদ থেকে ইহরাম বেঁধে মক্কার উদ্দেশে রওনা হওয়া হাজিদের বিদায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
তিনি জানান, রোববার দিন শেষে ৪৩টি ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে প্রায় ৯ হাজার ৫০০ হাজি ও সংশ্লিষ্ট কর্মী পবিত্র ভূমিতে পৌঁছেছেন।
তিনি আরও বলেন, একইদিন সন্ধ্যায় ১৩টি কাফেলায় মোট ১ হাজার ৩৩৫ জন হাজি মীকাত শাজারা থেকে ইহরাম গ্রহণের পর মক্কার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
চলতি হজে ইরানি হাজির সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণ প্রসঙ্গে রাশিদিয়ান বলেন, প্রাথমিকভাবে প্রায় ৮৬ হাজার ৭০০ জনের জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে তা কমিয়ে ৩০ হাজারে নামিয়ে আনা হয়েছে। এ কারণে যারা নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছিলেন কিন্তু যেতে পারছেন না, তাদের কাছে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, বৈশ্বিক শক্তিগুলোর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা এবং সৌদি আরবের ব্যাংকগুলোতে অর্থ স্থানান্তরে জটিলতার কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে সৌদি হজ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এবং দেশটির ভেতরে থাকা আর্থিক সক্ষমতা ব্যবহার করে ৩০ হাজার হাজির জন্য ভিসা নিশ্চিত করা হয়েছে।
রাশিদিয়ান আরও জানান, চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল হজে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার পর ইরান ও সৌদি আরব—উভয় দেশেই দ্রুতগতিতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সৌদি হজ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা গভীর রাত পর্যন্ত কাজ চালিয়ে গেছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আশা করেন, বাকি হাজিরাও দ্রুত পবিত্র ভূমিতে পৌঁছাতে পারবেন। ইকনা



























