ইরানের সংস্কৃতি ও ইসলামি দিকনির্দেশনা বিষয়ক মন্ত্রী ৩৩তম তেহরান আন্তর্জাতিক কুরআন প্রদর্শনীর চেয়ারম্যানসহ এ আয়োজনের নীতিনির্ধারণী পরিষদের অন্যান্য সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছেন।
সংস্কৃতি মন্ত্রীর জারিকৃত এক আদেশে বলা হয়, “ইনশাআল্লাহ, আন্তর্জাতিক কুরআন প্রদর্শনী—যা দেশের সর্ববৃহৎ বার্ষিক কুরআনিক অনুষ্ঠান এবং ইসলামি বিপ্লবের বরকতময় অর্জনগুলোর একটি—আপনাদের ও আপনাদের সম্মানিত সহকর্মীদের প্রচেষ্টায় কুরআনিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বহুমুখী সেবার উন্মেষস্থল এবং শিল্প, গবেষণা ও বিভিন্ন কুরআনিক কর্ম ও পণ্যের প্রদর্শনীতে পরিণত হবে।”
এছাড়া পৃথক আরেকটি আদেশে সংস্কৃতি মন্ত্রী মোহাম্মদ মেহদি এসলাহি (সালেহি) ৩৩তম তেহরান আন্তর্জাতিক কুরআন প্রদর্শনীর নীতিনির্ধারণী পরিষদের সদস্যদের নিয়োগ দেন। সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন— আয়াতুল্লাহ মোহসেন কুমি (ইসলামি বিপ্লবের নেতার কার্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা), শুক্রবারের নামাজের ইমামদের নীতিনির্ধারণী পরিষদের চেয়ারম্যান হুজ্জাতুল ইসলাম মোহাম্মদ জাওয়াদ হাজি আলী আকবরি, ইসলামি উন্নয়ন সংস্থার প্রধান হুজ্জাতুল ইসলাম মোহাম্মদ কুমি, ইসলামি সংস্কৃতি ও সম্পর্ক সংস্থার প্রধান হুজ্জাতুল ইসলাম মোহাম্মদ মেহদি ইমানিপুর, ইসলামি বিপ্লবের নেতার কার্যালয়ের জনসংযোগ বিষয়ক উপদেষ্টা সাইয়্যেদ আলী মোকাদ্দাম, তেহরানের মেয়র আলিরেজা জাকানি, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনা ও সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক উপমন্ত্রী হোসেইন এন্তেজামি, আওকাফ ও দাতব্য বিষয়ক সংস্থার প্রধান হুজ্জাতুল ইসলাম সাইয়্যেদ মেহদি খামুশি এবং আহমদ মসজেদজামেয়ি, মোহাম্মদ আলী খাজেহপিরি, মোহাম্মদ রেজা পুরমোইন ও মারইয়াম হাজি আবদোলবাকি।
তেহরান আন্তর্জাতিক কুরআন প্রদর্শনী প্রতিবছর পবিত্র রমজান মাসে ইরানের সংস্কৃতি ও ইসলামি দিকনির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়।
বিশেষজ্ঞ অধিবেশন, শিক্ষামূলক কর্মশালা, কুরআনিক সমাবেশ এবং শিশু ও কিশোরদের জন্য বিশেষ কার্যক্রমসহ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে এ আন্তর্জাতিক আয়োজন কুরআনিক ধারণা ও কার্যক্রম প্রসারে ভূমিকা রাখে।
এছাড়া প্রদর্শনীটি ইরানে কুরআনভিত্তিক সর্বশেষ অর্জন ও পবিত্র কুরআনের প্রচারে নিবেদিত বিভিন্ন পণ্যের প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে কাজ করে। ইকনা



























