ইসলামী বিপ্লবের শহীদ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ীর (র) পবিত্র লাশের প্রতি বিদায়ি সম্মাননা ও শোক জ্ঞাপনের অনুষ্ঠানে ইরানের কয়েক কোটি মানুষের অংশগ্রহণ বিশ্বজুড়ে সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিফলন সৃষ্টি করেছে।
পার্সটুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো শহীদ ইরানি নেতাকে শেষ বিদায় জানানোর অনুষ্ঠানের খবর ব্যাপকভাবে প্রচার করেছে। তারা বিপুল জনসমাগম, আকাশপথ থেকে ধারণ করা শোভাযাত্রার দৃশ্য এবং এই ঘটনার রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক তাৎপর্য নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস লিখেছে, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সাবেক নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ীর প্রতি বিদায়ি সম্মাননা ও শোক জ্ঞাপনের অনুষ্ঠান তেহরানে লাখ-লাখ মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং জনসমাগমের দিক থেকে এটি সমসাময়িক ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম বিদায়ি-শোকানুষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
দ্য গার্ডিয়ান মন্তব্য করেছে, এই শোকযাত্রা দেখিয়ে দিয়েছে যে, ইরান দেশটি এর জনগণের কাছে একটি অতিক্রম-অযোগ্য লাল রেখা।
ইরাকের আল-গাদির টেলিভিশন নেটওয়ার্ক লিখেছে, ইরানের শহীদ নেতার প্রতি শোক ও বিদায়ি শ্রদ্ধা জানানোর অনুষ্ঠান ছিল এক বিশাল গণভোটের মতো।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের আরও কিছু শিরোনাম নিচে তুলে ধরা হলো:
ফ্রান্স ২৪: ইরানের শহীদ নেতার লাশ মুবারকের প্রতি বিদায়ি সম্মাননা ও শোক জ্ঞাপনের জন্য শোকাহত মানুষের বিশাল ঢল রাস্তায় নেমে এসেছে।
সিএনএন: শহীদ বিপ্লবী নেতার জানাজা ও শোক-অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ইরানিরা প্রতিশোধের দাবি জানিয়েছেন।
রাশা টুডে (RT): শহীদ বিপ্লবী নেতার শোক-অনুষ্ঠানের দিন তেহরানে তিল ধারণেরও জায়গা ছিল না।
সুইডেন হেরাল্ড: তেহরানে ইরানের শহীদ নেতার প্রতি বিদায়ি শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল নেমেছিল।
চীনের সিজিটিএন (CGTN): তেহরানে লাখ-লাখ মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হল ইরানের শহীদ সর্বোচ্চ নেতার জন্য আয়োজিত শোক-জ্ঞাপনের অনুষ্ঠানমালা ।
রয়টার্স: ইরানের লাখ-লাখ মানুষের সমাবেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি নেতাদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের দাবি ছিল প্রধান স্লোগান।
পার্স টুডে



























