ইরানে ‘আয়াতের সঙ্গে জীবন’ শীর্ষক জাতীয় কোরআনভিত্তিক কর্মসূচি শুরু হয়েছে। প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষের অংশ গ্রহণে এগিয়ে যাচ্ছে এ কার্যক্রম। শনিবার তেহরানে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিটির সমন্বয় সভায় এ তথ্য জানানো হয়।
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তেহরানের সারচেশমেহ সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সে ‘আয়াতের সঙ্গে জীবন’ কর্মসূচির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
‘আয়াতের সঙ্গে জীবন’ নামের এই কর্মসূচি এখন নতুন পর্যায়ে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নতুন পর্যায়ের লক্ষ্য নির্বাচিত কোরআনের আয়াতের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক আরও গভীর করা।
তেহরানের কেন্দ্রস্থলে সারচেশমেহ সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং কোরআনভিত্তিক বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আয়োজকেরা জানান, সভার উদ্দেশ্য শুধু কর্মসূচির অগ্রগতি তুলে ধরা নয়; বরং বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো পর্যালোচনা করে কর্মসূচির পরবর্তী ধাপের পরিকল্পনা প্রণয়ন করা।
সভায় কোরআন সংস্কৃতি উন্নয়ন পরিষদের প্রধান হুজ্জাতুল ইসলাম মোহাম্মাদ কোমি বক্তব্য দেন। তিনি ‘আয়াতের সঙ্গে জীবন’ কর্মসূচিকে একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, কোরআনকে শুধু নির্দিষ্ট সময়ের আনুষ্ঠানিক বা শিক্ষামূলক কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়।
তিনি বলেন, “কোরআনের ধারণা ও ঐশী বিধানকে মানুষের সাধারণ কথাবার্তা এবং দৈনন্দিন আচরণের অংশ হয়ে উঠতে হবে।”
তিনি বাস্তবসম্মত ও সুস্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে তিনি ২ কোটি মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যের কথা জানান। এর মধ্যে ১ কোটি মানুষকে নির্বাচিত কিছু কোরআনের আয়াতের সঙ্গে আরও গভীরভাবে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
এ ছাড়া রমজান মাস এবং আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ীর শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ কর্মসূচি আয়োজনের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।




























