খুলনায় মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি ও করণীয় শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ইমামিয়া ওলামা সোসাইটি ও আন্জুমানে পাঞ্জাতানীর যৌথ উদ্যোগে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ইরান থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ড. কোরবান আলী পুরমারজান। তিনি তেহরান, ইরানের মাজমায়ে জাহানি তাকরিবে মাজাহিবে ইসলামীর আন্তর্জাতিক যোগাযোগবিষয়ক উপপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্রের সম্মানিত অধ্যক্ষ ও বাংলাদেশ ইমামিয়া ওলামা সোসাইটির সভাপতি হুজ্জাতুল ইসলাম সৈয়দ ইব্রাহিম খলিল রাজাভী।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইমামিয়া ওলামা সোসাইটির সেক্রেটারি হুজ্জাতুল ইসলাম আবদুল কুদ্দুস বাদশাহ; জামিয়্যাতে মুহিব্বিনে আহলে বাইত, খুলনার সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব মাওলানা ইব্রাহিম ফয়জুল্লাহ; এবং তালিমুল মিল্লাত রাহমাতিয়া কামিল মাদ্রাসার সম্মানিত অধ্যক্ষ আ ফ ম নাজমুস সৌদ।
এ ছাড়া খুলনার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও খতিব, বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষক, অধ্যাপক, আইনজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথি ড. কোরবান আলী পুরমারজান তাঁর বক্তব্যে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি, এর পটভূমি, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রভাব এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে করণীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। অংশগ্রহণকারীরা অত্যন্ত আগ্রহ ও মনোযোগের সঙ্গে তাঁর বক্তব্য শোনেন।
বক্তব্য শেষে অংশগ্রহণকারীরা মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁদের বিভিন্ন প্রশ্ন ও জিজ্ঞাসা তুলে ধরেন। ইরান থেকে অনলাইনে যুক্ত হওয়া প্রধান অতিথি একে একে প্রশ্নগুলোর উত্তর দেন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করেন। এর ফলে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও মতবিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়। আলোচনা সভার শেষপর্যায়ে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, সংহতি ও পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি ঐক্য প্রতিষ্ঠা ও তা রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। উপস্থিত ব্যক্তিরা ঐক্যের পক্ষে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এর মধ্য দিয়ে রাত ৯টায় অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের আলোচনা সভা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, পারস্পরিক মতবিনিময় এবং মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ঐক্য ও সংহতি জোরদারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।


























