মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার এক নির্বাচনী ভাষণে “মুহাম্মদ” নামের জনপ্রিয়তাকে উপহাস করেছেন এবং ইরানের রাষ্ট্রপতি পদকে বিদ্রূপ করেছেন।
ইরানি বার্তা সংস্থা ইকনা রয়টার্সের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে। মুসলিমদের মধ্যে ‘মোহাম্মদ’ অন্যতম প্রচলিত নাম। মুসলিমরা সাধারণত মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নাম অনুসারে তাঁদের ছেলেদের নাম রাখেন।
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ডাল্টন শহরের একটি বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে আয়োজিত সমাবেশে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থীদের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছিলেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানই একমাত্র দেশ, যেখানে কেউ প্রেসিডেন্ট হতে চায় না।’ এরপর তিনি কয়েকজন ‘মোহাম্মদ’-এর সঙ্গে কথা বলার ভান করে তাঁদের জিজ্ঞাসা করেন, তাঁরা প্রেসিডেন্ট হতে চান কি না। তাঁর এই বিদ্রূপে সমাবেশে উপস্থিত দর্শকদের কাছ থেকে তেমন সাড়া পাওয়া যায়নি।
মানবাধিকারকর্মী ও মুসলিম সংগঠনগুলো এর আগেও ট্রাম্পের বক্তব্যের সমালোচনা করেছে। তাঁদের অভিযোগ, ট্রাম্পের বক্তব্যে মুসলিম, অভিবাসী ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয় এবং তাঁদের উপহাসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়।
আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে ট্রাম্পের বক্তব্যে বিশেষ করে সোমালি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক ও মুসলিমদের নিয়ে সমালোচনা আরও তীব্র হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির মুসলিম প্রার্থী আবদুর রহমান আল-সাইয়েদ এবং মিনেসোটার ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি ইলহান ওমর। শরণার্থী হিসেবে সোমালিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন ইলহান ওমর।
এ বছরের শুরুর দিকে প্রকাশিত কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনসের (সিএআইআর) এক বার্ষিক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামবিদ্বেষ বৃদ্ধির পেছনে ট্রাম্পের অভিবাসনবিষয়ক অবস্থান এবং তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ নিয়ে গৃহীত অবস্থানকে দায়ী করা হয়েছে। ইকনা




























